নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা অনেক সময় মানুষকে ভুল সম্পর্কের দিকেও টেনে নিয়ে যেতে পারে। শারীরিক অবস্হা ভাল না দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন। ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে চালু হচ্ছে অফিস–আদালত। এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশকে মারধর করেছে। সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় মামলায় প্রধান আসামি সোহেল তার স্ত্রী স্বপ্না কারাগারে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা।

সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস দেখানো সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্র সালাহউদ্দিন তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে যারা চ্যালেঞ্জ করার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছে, তাদের আশ্রয়স্থল কোথায় আমরা দেখতে চাই। তাদের সর্বশেষ আস্তানাও আমরা নির্মূল করব।

গতকাল রোববার চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে নগরের সার্কিট হাউজে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আয়োজিত এই বৈঠককে চট্টগ্রামের ইতিহাসে অন্যতম ‘হাই-লেভেল মিটিং’ বলে উল্লেখ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে কার্যকরভাবে এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী। সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক না কেন, তা নির্মূল করতে হবে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক অভিযানে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, সামরিক বাহিনী ও হেলিকপ্টারসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে অংশ নিয়েছে। প্রায় চার হাজার সদস্যের যৌথবাহিনী এখানে কাজ করেছে।

রাষ্ট্রের সব বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা ও জনস্বার্থে কাজ করবে। আমাদের প্রথম লক্ষ্য এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা। সন্ত্রাসীরা যাদেরই আশ্রয়ে থাকুক না কেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর এবং আশপাশের এলাকায় সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, সরকারি স্থাপনা নির্মাণ ও দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

গণমাধ্যমের প্রতি সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, আপনারা যদি সঠিক তথ্য দেন এবং সহযোগিতা করেন, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য তা অত্যন্ত সহায়ক হবে। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন, ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।

জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্য যেখানেই থাকুক, তা নির্মূল করতে হবে। সন্ত্রাসীরা যে দুঃসাহস দেখিয়েছে, আমরা রাষ্ট্রীয় বাহিনী দিয়ে তা যথাযথভাবে অ্যাড্রেস করব। তাদের আশ্রয়স্থল যেখানেই হোক এবং যারাই তাদের প্রশ্রয় দিক না কেন, সবকিছু চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জঙ্গল সলিমপুর, সলিমপুর ও আলীনগর এলাকার সাধারণ বাসিন্দাদের উচ্ছেদের আশঙ্কার বিষয়ে আশ্বস্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো সাধারণ বাসিন্দাকে উচ্ছেদ করা হবে না। যারা সেখানে বিভিন্নভাবে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ওই অঞ্চলের উন্নয়ন এবং সরকারি বিভিন্ন স্থাপনা ও একাডেমি গড়ে তোলার জন্য ম্যাপ অনুযায়ী জায়গা নির্ধারণের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, লিংক রোডের পাশে কারাগারের জন্য প্রস্তাবিত জায়গাটি ভিজিট করা হয়েছে। কারা অধিদপ্তর ও আইজি প্রিজন জায়গাটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর সেখানে দ্রুত পরবর্তী উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হবে।

অভিযানের সক্ষমতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে শুধু প্রথাগত পুলিশিং নয়; বরং পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনীসহ প্রায় ৪ হাজার সদস্যের যৌথবাহিনী হেলিকপ্টার সহায়তায় অত্যন্ত সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। সবাই রাষ্ট্রের কল্যাণে এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এক হয়ে কাজ করছে।

জঙ্গল সলিমপুর ছাড়াও চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, ফটিকছড়ি ও বোয়ালখালীর মতো এলাকাগুলোতেও সন্ত্রাস দমনে সমন্বিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলার এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় তিনি গণমাধ্যম ও সাধারণ জনগণের পূর্ণ সহযোগিতা কামনা করেন।

এর আগে, রোববার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রামের লিংক রোডের পাশে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকা পরিদর্শনে যান। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে বাস্তব পরিস্থিতি সরজমিনে আরও নিখুঁতভাবে যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

আমার দেশ ২৪ ডটকম।

আরও পড়ুন