নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা অনেক সময় মানুষকে ভুল সম্পর্কের দিকেও টেনে নিয়ে যেতে পারে। শারীরিক অবস্হা ভাল না দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন। ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার। আজ সোমবার থেকে পুরোদমে চালু হচ্ছে অফিস–আদালত। এক কিশোরীকে উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশকে মারধর করেছে। সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শিশু রামিসাকে হত্যার ঘটনায় মামলায় প্রধান আসামি সোহেল তার স্ত্রী স্বপ্না কারাগারে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভাইস চ্যান্সেলর পরিবর্তন করা হয়েছিল। কাল শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন: প্রধান মন্ত্রী। দেশের বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ২০০ টাকা।

ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার।

 

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধা করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।আজ সোমবার সকালে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বাঁশঝাড় নামক এলাকায় পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বাইশফাঁড়ী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সীমান্ত পিলার ৩৬/২-এস থেকে প্রায় ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বাঁশঝাড় নামক এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মালিকবিহীন পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি উদ্ধার অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতার অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারার দায়িত্ব পালনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সীমান্তকে নিরাপদ রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্তবর্তী এলাকায় বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও নজরদারির কারণে মাদক পাচারকারীদের তৎপরতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে সীমান্তকে ব্যবহার করে এখনো বিভিন্ন চক্র মাদক পাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনস্থ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সুরক্ষা, মাদকবিরোধী অভিযান এবং চোরাচালান প্রতিরোধে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করে আসছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে, যা সীমান্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

আমার দেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন