নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
বিশ্বকাপে লামিনে ইয়ামালকে পাওয়া নিয়ে খানিকটা শঙ্কা ছিল। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় আবারও গোলাগুলি ও ভারী বিস্ফোরণ। ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার। তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। জোড়া গোলে ব্রাজিল দাপট দেখাচ্ছে। ইতিমধ্যে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে ১৩ দল। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দলটির ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান। ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইলের প্রেসিডেন্ট কে মোরল্যান্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সাইফুল হত্যা : প্রধান আসামি চন্দনসহ ১০ জনকে শ্যোন অ্যারেস্ট।

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম হত্যার প্রধান আসামি চন্দন দাসসহ আরও ১০ জনকে বিস্ফোরক আইনে নতুন একটি মামলায় গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছে।

আজ বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় অবকাশকালীন চট্টগ্রামের ৬ষ্ঠ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কাজী শরীফুল ইসলাম পুলিশের আবেদনের পর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে আসামিদের কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

গ্রেফতার হওয়া বাকি আসামিরা হলেন- আমান দাস, রুমিত দাস, নয়ন দাস, গগন দাস, বিশাল দাস, রাজীব ভট্টাচার্য্য, দুর্লভ দাস, সুমিত দাস ও সনু দাস।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া জানান, ‘গত ২৬ নভেম্বর আদালত প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনায় খুন হওয়া আইনজীবী সাইফুলের ভাই খানে আলম বাদী হয়ে কোতোয়ালী থানায় বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত চন্দন দাসসহ ১০ জনকে গ্রেফতার দেখানোর নির্দেশ দেন।’

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, ‘এরা প্রত্যেকেই আইনজীবী সাইফুল হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত। এ মামলায় আদালত গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন।’

গত ২৫ নভেম্বর রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বহিষ্কৃত ইসকন নেতা চিন্ময় ব্রহ্মচারীকে আটক করে ডিবি। পরদিন তাকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে তোলার পর জামিন নামঞ্জুর হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

পুলিশ বাদী হয়ে সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধাদানের অভিযোগে তিনটি মামলা করেছে। এছাড়া নিহত সাইফুলের বাবা ৩১ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা এবং ভাই খানে আলম যানবাহন ভাঙচুর ও হামলার ঘটনায় ১১৬ জনকে আসামি করে বিস্ফোরক আইনে আরেকটি মামলা করেন।

আরও পড়ুন