নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
বিশ্বকাপে লামিনে ইয়ামালকে পাওয়া নিয়ে খানিকটা শঙ্কা ছিল। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় আবারও গোলাগুলি ও ভারী বিস্ফোরণ। ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার। তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। জোড়া গোলে ব্রাজিল দাপট দেখাচ্ছে। ইতিমধ্যে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে ১৩ দল। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দলটির ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান। ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইলের প্রেসিডেন্ট কে মোরল্যান্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

নাঈমুল ইসলাম খানের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক।

বুধবার , ৮ জানুয়ারি,২৫

সাবেক  শেখ হাসিনার সর্বশেষ প্রেস সচিব জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে ওঠা কথিত অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে (দুদক)। গতকাল মঙ্গলবার অনুসন্ধানের বিষয়টি অনুমোদনের কথা জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম। তবে নাঈমুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত তিনি জানাতে পারেননি। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)-এর অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন ওপর ভিত্তি করে অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে। খবর বিডিনিউজের।

বিএফআইইউ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাঈমুল ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ১৬৩টি ব্যাংক হিসাব পাওয়া গেছে। এসব হিসাবে প্রায় ৩৮৬ কোটি টাকা জমা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৭৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা ইতোমধ্যে উত্তোলন করা হয়েছে। বর্তমানে ওই হিসাবগুলোতে রয়েছে মাত্র ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা। নাঈমুল ইসলাম খানের ব্যক্তিগত নামে রয়েছে ৯১টি ব্যাংক হিসাব, ১৯৯০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত যেখানে মোট ২৩৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা জমা হয়েছিল। এর মধ্যে ২৩৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বর্তমানে হিসাবগুলোতে রয়েছে ৬৪ লাখ টাকা। তার স্ত্রী নাসিমা খান মন্টির নামে ১৩টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয়েছে ১৬ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১৩ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। ২০০৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এসব লেনদেন হয়েছে। এছাড়া, নাঈমুল ইসলাম খানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৪৬টি ব্যাংক হিসাবে মোট জমা হয়েছিল ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। প্রায় সব অর্থ উত্তোলনের পর এসব হিসাবে এখন ২১ লাখ টাকা রয়েছে। এসব লেনদেন হয়েছে ২০০৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে। নাঈমুল ইসলাম খান এবং তার স্ত্রী–সন্তানরা মোট ১২টি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। এসব কার্ডের সর্বমোট সীমা ২৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৭ টাকা। কার্ডগুলোতে বর্তমানে বকেয়া পড়েছে ৪৮ হাজার ৪০৮ টাকা।

হাসিনা সরকারের পতনের পর, গত ২৫ আগস্ট বিএফআইইউ নাঈমুল ইসলাম খানের ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে। স্থগিত করা হয়েছে তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব। তবে এর আগেই তারা প্রায় সব অর্থ উত্তোলন করে নিয়েছেন।

আরও পড়ুন