নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
বিশ্বকাপে লামিনে ইয়ামালকে পাওয়া নিয়ে খানিকটা শঙ্কা ছিল। মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় আবারও গোলাগুলি ও ভারী বিস্ফোরণ। ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতার। তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত। অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। জোড়া গোলে ব্রাজিল দাপট দেখাচ্ছে। ইতিমধ্যে শেষ বত্রিশে জায়গা করে নিয়েছে ১৩ দল। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দলটির ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার। ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান। ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইলের প্রেসিডেন্ট কে মোরল্যান্ড সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এস আলম পরিবারের ৫ হাজার কোটি টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ।

নিউজ ডেস্কঃ
বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম ও তার পরিবারের নামে থাকা ৪২টি কোম্পানির ৪৩৭ কোটি ৮৫ লাখ ২ হাজার ২৪৪টি শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম (মাসুদ) ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে সিঙ্গাপুর, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, সাইপ্রাস ও অন্যান্য দেশে ১ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানকালে তার ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে যৌথমূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর, বিভাগীয় কার্যালয় ও চট্টগ্রামের সিডিএ এনেক্স ভবন (৬ষ্ঠ তলা) থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে ৪২ কোম্পানিতে ৪৩৭ কোটি ৮৫ লাখ ২ হাজার ২৪৪টি শেয়ারের মালিকানার তথ্য পাওয়া যায়। এসব শেয়ারের অভিহিত মূল্য ৫ হাজার ১০৯ কোটি ৬৭ লাখ ৯৬ হাজার ২৬০ টাকা।
দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার পরিবারের সদস্যরা মালিকানাধীন এসব শেয়ার হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। যা করতে পারলে অনুসন্ধানের ধারাবাহিকতায় মামলা রুজু, আদালতে চার্জশিট দাখিল ও বিচার শেষে সাজার অংশ হিসেবে অপরাধলব্ধ আয় থেকে অর্জিত সম্পত্তি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্তকরণসহ সব উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। তাই এসব শেয়ার এবং শেয়ার থেকে উদ্ভূত সব মুনাফা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ১৪ ধারায় অবরুদ্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।

আরও পড়ুন