নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফর করবেন সরকার প্রধান : তারেক রহমান। যোগাযোগের অন্যতম ফোকাল পয়েন্ট হিসেবেও এই ইউনিট কাজ করে।  কাল সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ। গাংনীতে সাইকেল চুরির অপবাদ। আগামী ১ আগস্ট থেকে জিপিএস গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম ডিভাইস যুক্ত হচ্ছে। বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বসতঘরের টিনের চালের ওপর টবে গাঁজা চাষ। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে শুভেন্দু। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬জন বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। কুমামোতো প্রিফেকচারে ৭.১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় এই দুই কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে আজ।

জ্বালানি তেল ডিজেল সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগে পড়েছে বাংলাদেশ।

কাজী জাহাঙ্গীর:চট্রগ্রাম।

ট্রেন পরিচালনায় প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগে পড়েছে বাংলাদে রেলওয়ে। নিয়ম অনুযায়ী রেলের ১২টি ডিপোতে অন্তত ৩০ দিনের বেশি তেল মজুত থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে বেশিরভাগ ডিপোতেই সেই মজুত নেমে এসেছে ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে। আর রাজধানীর ঢাকা ডিপোতে মজুত রয়েছে মাত্র ছয় দিনের তেল।

রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, চুক্তি অনুযায়ী প্রতিদিন রেলওয়ের ডিপোগুলোতে তেল সরবরাহ করার কথা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও তাদের বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে নিয়মিত তেল সরবরাহ না হওয়ায় মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। এতে ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুব চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমানে ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে স্বাভাবিক ট্রেনের পাশাপাশি ঈদ স্পেশাল ট্রেন চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি অনেক ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ যুক্ত করা হয়েছে। ফলে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় ডিজেলের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

তিনি বলেন, “প্রতিটি ডিপোতে সাধারণত ৩০ দিনের বেশি তেল মজুত রাখার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ ডিপোতে ৭ থেকে ১৫ দিনের মতো তেল রয়েছে। এভাবে মজুত দ্রুত কমতে থাকলে ট্রেন পরিচালনায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে। তবে আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যেই তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হবে এবং মজুত প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু হবে।”এদিকে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেও সমস্যার কথা জানানো হয়েছে। মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহীরুল হাসান বলেন, চুক্তি অনুযায়ী তারা রেলওয়েতে নিয়মিত তেল সরবরাহ করে আসছিলেন। তবে রেলওয়ের কাছে বিপুল পরিমাণ বকেয়া থাকায় গত কয়েকদিন ধরে তেল সরবরাহে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, “রেলের কাছে আমাদের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বকেয়া রয়েছে। তবুও চুক্তি অনুযায়ী তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

রেলওয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ডিজেলচালিত লোকোমোটিভের ওপরই এখনো দেশের বেশিরভাগ ট্রেন চলাচল নির্ভরশীল। ফলে জ্বালানি সরবরাহে সামান্য বিঘ্ন ঘটলেও ট্রেন চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।রেল পরিবহন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানি সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অভাব এবং আর্থিক বকেয়া সমস্যার কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তারা বলছেন, ঈদের সময় যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এ সময় তেলের ঘাটতি দেখা দিলে তা ট্রেনের সময়সূচি ও যাত্রীসেবায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

রেলওয়ে বিষয়ক বিশ্লেষকদের মতে, রেলের ডিপোগুলোতে পর্যাপ্ত তেল মজুত নিশ্চিত করা না গেলে ঈদের পর ট্রেন চলাচলে সমস্যার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাই দ্রুত বকেয়া পরিশোধ এবং নিয়মিত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অচিরেই তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং ট্রেন চলাচলেও কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না।

আমারদেশ২৪ নিউজ। 

 

আরও পড়ুন