মানবপাচার প্রতিরোধ ইউনিট: বাংলাদেশ থেকে মানবপাচার রোধে এবং এ সংক্রান্ত মামলার সুনির্দিষ্ট তদন্ত নির্দেশিকা প্রদানে সিআইডির ‘ট্র্যাফিকিং ইন হিউম্যান বিয়িং’ ইউনিট কাজ করছে। মামলাগুলোর সময়মতো তদন্ত নিশ্চিত করা এবং আদালতে শক্ত তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনে সহায়তা করাই এই ইউনিটের কাজ। আন্তর্জাতিক মানবপাচার রোধে আন্তর্জাতিক যেকোনো যোগাযোগের অন্যতম ফোকাল পয়েন্ট হিসেবেও এই ইউনিট কাজ করে।
ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট: দেশের ভেতরে সংঘটিত বড় ধরণের আর্থিক অপরাধ, মানি লন্ডারিং বা অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলার তদন্ত ও মনিটরিং নিশ্চিত করে এই ইউনিট। বাংলাদেশ ব্যাংক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে পারস্পরিক সমন্বয় রেখে তারা কাজ করে থাকে।
কাউন্টার টেররিজম ইউনিট: সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত জটিল মামলার তদন্ত করা, মামলার অগ্রগতি মনিটরিং করা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহায়তা করতে প্রয়োজনীয় ডেটা বা তথ্য সংরক্ষণের কাজটি সুচারুভাবে সম্পাদন করে এই শাখা।
ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস ইউনিট: অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও দ্রুত ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৮ সালের ১ মার্চ ইন্টারপোলের তৎকালীন মহাসচিব রোনাল্ড কে. নোবেল সিআইডির ‘ক্রিমিনাল ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস ইউনিট’ উদ্বোধন করেন। এটি আধুনিক তদন্ত ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী সংযোজন।
প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ: সিআইডির প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অভ্যন্তরীণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি, লজিস্টিকস সাপোর্ট, পরিবহন ব্যবস্থাপনা এবং প্রসংগক্রমে পুলিশ কর্মকর্তাদের মানবাধিকার, শিশু বিচার ব্যবস্থা ও নারী-শিশু পাচার প্রতিরোধ বিষয়ক বিভিন্ন আধুনিক প্রশিক্ষণ পরিচালনার দায়িত্ব এ বিভাগের।অপরাধের মাত্রা ও রূপ প্রতিদিন পরিবর্তন হচ্ছে। এনালগ থেকে অপরাধীরা এখন প্রবেশ করেছে ডিজিটাল যুগে।
amardesh24.com









