নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সফর করবেন সরকার প্রধান : তারেক রহমান। যোগাযোগের অন্যতম ফোকাল পয়েন্ট হিসেবেও এই ইউনিট কাজ করে।  কাল সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ। গাংনীতে সাইকেল চুরির অপবাদ। আগামী ১ আগস্ট থেকে জিপিএস গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম ডিভাইস যুক্ত হচ্ছে। বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বসতঘরের টিনের চালের ওপর টবে গাঁজা চাষ। শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে শুভেন্দু। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬জন বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। কুমামোতো প্রিফেকচারে ৭.১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় এই দুই কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে আজ।

সোনালী মুর‌গির দাম গরুর মাংস ৮৫০, ব্রয়লার ২৩০।

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

সারা দেশে বইছে ঈদের আমেজ। চলছে ঈদের শেষ প্রস্তুতি। ঈদের দিনে অ্যাপায়নের অন্যতম অনুসঙ্গ মাংসের চাহিদা বেড়েছে বাজারে। বেড়েছে দামও। রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায়। অন্যদিকে, ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। আর সোনালী মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মাংসের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ দোকানে প্রতিকেজি গরুর মাংস ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কিছু কিছু দোকানে ৮০০ ও ৭৮০ টাকায়বিক্রি হতে দেখা গেছে। অর্থাৎ ঈদ উপল‌ক্ষ্যে আগের তুলনায় মাংসের দাম বেড়েছে।

অপরদিকে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৩০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে, কে‌জি‌তে ১০ টাকা বে‌ড়েছে। এ ছাড়া, সোনালী মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। সপ্তাহ ব্যবধানে কে‌জিতে বে‌ড়ে‌ছে ২০ থে‌কে ৫০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, ঈদ উৎসবের সময় মাংসের চাহিদা বেড়ে যায়। এই বাড়তি চাহিদা পুঁজি করে মাংসের দাম দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে। সপ্তাহ ব্যবধানে বাজারে প্রতিদিনই কোনো না কোনো মাংসের দাম বেড়েছে। ঈদকে সামনে রেখে সরকার যদি তদারকিতে কড়াকড়ি করতো তাহলে আগের দামেই মাংস কেনা যেত।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষ্যে খামারিরা গরুর দাম বাড়িয়েছেন, তাতে মাংসের দাম বেশি পড়ছে। অনেকে বলছেন, বেচাকেনা বেশি পরিমাণে না হলে কেজিপ্রতি ৮০০ টাকায় মাংস বিক্রি করেও টিকে থাকা কষ্ট হবে। সেজন্য বে‌শিরভাগ মাংস বি‌ক্রেতা ৮৫০ টাকা কে‌জি বি‌ক্রি কর‌ছেন।

উত্তর মুগদা পাড়ার একটি বাজারে মাংস কিনতে আসা আব্দুর রউফ বলেন, ভেবেছিলাম ঈদের আগে তাজা মাংস নেব। কারণ, ফ্রিজে রেখে দিলে স্বাদ থাকে না। সেজন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম শেষ দিকে নেব। ঈদে বিভিন্ন খাবার তৈরিতে গরু ও মুরগি দুটো মাংসরই প্রয়োজন হয়। আর ব্যবসায়ীরা সেই সুযোগ কাজে লাগায়। গরুর মাংস নিলাম ৮৫০ করে। আর ব্রয়লার মুরগি ২৩০ টাকা।

মুরগির দোকানে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা হয় সালেহা বেগমের। তিনি বলেন, গরিব মানুষতো আর গরুর মাংস কিনতে পারবে না, ব্রয়লার মুরগিই খাইতে হবে। সেই মুরগির দাম গেছে বেড়ে। ২ কেজি থেকে একটু বেশি হলো ৫০০ টাকা শেষ।

গরুর মাং‌স বে‌শি টাকায় বি‌ক্রির কারণ জান‌তে চাই‌লে মাংস বিক্রেতা কোরবান মিয়া ব‌লেন, কেজিপ্রতি গরুর মাংস ৮৫০ ক‌রে বিক্রি কর‌ছি। এই টাকায় বি‌ক্রি না কর‌লে লাভ থাক‌বে না। মাঝারি আকারের গরু জবাই দিয়ে ভালো মাংস বিক্রি করতে গেলে এর চেয়ে কম দামে বিক্রি সম্ভব না।

মা‌লিবাগ চৌধুরীপাড়ার খোর‌শেদ গোশত বিতা‌নের এক মাংস বি‌ক্রেতা জানান, বেশি দামে গরু কিনে কম দামে মাংস বিক্রি সম্ভব নয়। ফলে কিছুটা বেশি দামে মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে।

সপ্তাহখা‌নেক ধ‌রে প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগির মাংস ২৩০ টাকায় বিক্রি হ‌চ্ছে। মূলত ঈদ‌কে কেন্দ্র ক‌রে কে‌জি‌তে ১০ টাকা বাড়‌তি  নিচ্ছেন বি‌ক্রেতারা। অন্যদি‌কে সোনালী মুর‌গির দাম এক লা‌ফে ২০ থে‌কে ৫০ টাকা বেড়েছে।

কারণ জান‌তে চাই‌লে মোহাম্মদ নয়ন ব‌লেন, ব্রয়লার কেজি‌তে মাত্র ১০ টাকা বাড়‌ছে। সোনালী মুর‌গির চা‌হিদা বে‌শি, দামও বে‌শি বাড়‌ছে। আমি বি‌ক্রি কর‌ছি ৪০০ টাকায়। কেউ কেউ আরও বে‌শি দা‌মে বি‌ক্রি কর‌ছে। খরচ বে‌শি প‌ড়ে, তাই বাড়‌তি দা‌মে‌ বি‌ক্রি কর‌তে হ‌চ্ছে।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন