নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী।

অডিট আপত্তির সংখ্যা শূন্যের পর্যায়ে নামিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। পুরোনো অডিট আপত্তিগুলো ধীরে ধীরে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি নতুন করে যাতে কোনো আপত্তি তৈরি না হয়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ বুধবার ইউজিসি অডিটোরিয়ামে ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রতিবছর অডিট আপত্তির সংখ্যা বাড়ছে। চলতি বছর এ বৃদ্ধির হার গত বছরের তুলনায়ও বেশি। এসব বিষয় প্রকাশ্যে এলে মানুষের মধ্যে সরকারি অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় হচ্ছে না—এমন ধারণা তৈরি হয়। তাই এই মুহূর্তে ইউজিসির লক্ষ্য শূন্য অডিট আপত্তিতে পৌঁছানো।

পুরোনো অডিট আপত্তি একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরোনো আপত্তিগুলো ধীরে ধীরে কমাতে হবে। পাশাপাশি নতুন কোনো আপত্তি যাতে না আসে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

অডিট আপত্তির অন্যতম বড় কারণ সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত বিধিমালা (পিপিআর) ও আর্থিক বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ক্রয় কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পিপিআর সম্পর্কে সচেতন ও প্রশিক্ষিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে ইউজিসি এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে আর্থিক ব্যবস্থাপনার নিয়মও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় সংজ্ঞাগতভাবেই একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। এর প্রশাসনিক, অ্যাকাডেমিক ও আর্থিক স্বাধীনতা থাকা উচিত। তবে বাস্তবতার কারণে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মূলত অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা ভোগ করলেও প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা পুরোপুরি ভোগ করতে পারে না।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন