নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
জরুরি বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সৌদীসহ বিভিন্নদেশের প্রধানরা। তুলাতুলিতে একটি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭টি দোকান পুড়ে গেছে। সরকার ৩টি দাবী মেনে নিলে বিস্ফোরণ ঘটবে না: পাটোয়ারী। ইউএনজিএ প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স’ এ বক্তব্য দিয়েছেন: ড,জোবাইদা। রাজধানীতে নিত্যপন্য দাম বেড়েছে। কুমিল্লায় অভিযানে ১৮ থানা এলাকা থেকে ৬২৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সাতক্ষীরা ৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ। আওয়ামী লীগ ফিরলে জামায়াতের কপালে দুঃখ আছে : রাশেদ খাঁন। চাঁদপুর-ঢাকা নৌপথে যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ২০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। মালদ্বীপের সমুদ্রসৈকতে সময় কাটাচ্ছেন দক্ষিণের অভিনেত্রী নয়নতারা।

দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদের একাংশ ওয়াকআউট।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠার পর বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিদের একাংশ ওয়াকআউট করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার নেতানিয়াহুর বক্তব্যের সময় জাতিসংঘের সদর দপ্তরের বাইরেও বিক্ষোভ করেন কয়েক শ মানুষ। তাঁদের অনেকে সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে।

নেতানিয়াহু মঞ্চের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত প্রতিনিধিদের একাংশ তাঁর উদ্দেশে দুয়ো দিতে শুরু করেন। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব প্রতিনিধিদলের সদস্যরা দাঁড়িয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান এবং করতালি দেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অধিবেশনের সভাপতি বারবার উচ্চ স্বরে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।ভাষণের একপর্যায়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ যেসব ব্যক্তি এখনো এই কক্ষ থেকে বের হয়ে যাননি, তাঁরাও দয়া করে বের হয়ে যান।’

এএফপির হাতে আসা একটি আনুষ্ঠানিক স্মারক অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাষ্ট্রকে নেতানিয়াহুর ভাষণ যৌথভাবে বর্জন ও ওয়াকআউট করার আহ্বান জানানো হয়েছিল।

নেতানিয়াহুর বক্তব্য চলার সময় জাতিসংঘের সদর দপ্তরের কাছে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা ‘ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করুন, গাজাকে বাঁচতে দিন’ এবং ‘ইসরায়েলকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করুন, ইরানকে বাঁচতে দিন’- এমন স্লোগান দেন।

জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে সংক্ষিপ্ত সফরে গিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। তবে এবারের সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কোনো বৈঠকের কর্মসূচি ছিল না। অবশ্য জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্পের প্রশংসা করেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশকে রক্ষা করে যাব। আমরা জয়ী হতে থাকব; কারণ, আমাদের আর কোনো পথ নেই। বর্বরদের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চেয়ে বড় কোনো বন্ধু আমরা পাইনি। আমি তাঁকে ধন্যবাদ জানাই। তাঁর সাহসী নেতৃত্বের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ।’

প্রায় তিন বছর আগে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েল ক্রমেই কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে। ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) নেতানিয়াহু, তাঁর তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং হামাসের তৎকালীন সামরিক কমান্ডারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এর ফলে নেতানিয়াহুর বিভিন্ন দেশে সফরের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন