নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ইংলিশ কাউন্টিতে ৪ দিনের ম্যাচ খেলবেন হাসান মাহমুদ। নিজেদের ঘরে তুলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। শিশু নির্যাতন মামলার ৪৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার। ভোক্তাপর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমেছে। দুই কোটি টাকা মূল্যের ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে: পুলিশ। রয়েল পার্ক নামে একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক দম্পতির লাশ উদ্ধার। রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য দিলেন বাবা। কুমির ৭ বছর বয়সি এক শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে। প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আর নেই। ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা অনেক সময় মানুষকে ভুল সম্পর্কের দিকেও টেনে নিয়ে যেতে পারে।

শিশু নির্যাতন মামলার ৪৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার।

আলীকদম থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ৪৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) নিশাত বড়ুয়া, এএসআই (নিঃ) রনেশ বড়ুয়া, এএসআই (নিঃ) মাহামুদুল হাসান, এএসআই (নিঃ) রাজীব দে এবং সঙ্গীয় ফোর্স কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন কৈয়ারবিল ডাঙ্গারচর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মো. সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত মো. সোহেল আলীকদম উপজেলার ১নং আলীকদম ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের খুইল্যা মিয়া চেয়ারম্যান পাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত বাবুল আহম্মদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় আদালত তাকে ৭/৩০ ধারায় ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৯(৩)/৩০ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে অতিরিক্ত কারাদণ্ডেরও বিধান রয়েছে। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে মোট ৪৪ বছরের সাজা পরোয়ানা কার্যকর ছিল।

দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে চকরিয়ার কৈয়ারবিল ডাঙ্গারচর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ বিষয়ে আলীকদম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন শাহ বলেন, আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে আলীকদম থানা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধী যেখানেই আত্মগোপন করুক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনতে আমরা বদ্ধপরিকর। জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন