নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে স্পেন। চট্টগ্রাম বিভাগ ছাড়া দেশের অন্যান্য এলাকায় এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেয়া হবে। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ইংল্যান্ডের পরিকল্পনা। সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আরও ৬টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। পথসভা থেকে শিক্ষামন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন: হাসনাত। দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়ে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া। বিতর্কের পর জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি। তীব্র প্রভাবে এশিয়া ও পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে বন্যা, ভূমিধস, তাপপ্রবাহ।

দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত ও আধুনিক করতে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতা আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই সারা দেশে ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে একটি সমন্বিত জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির কাজ শুরু হবে।

গতকাল মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের পক্ষে এ তথ্য তুলে ধরেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে দেশের ৪৪ জেলার ৫৫টি উপজেলায় তিন ধাপে ৫৬টি ইউনিটে পরীক্ষামূলকভাবে ৬৯ হাজার ৩৮৭টি নারী-প্রধান পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে উপকারভোগীদের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের শুরুতেই দেশব্যাপী সমন্বিত পরিবার শুমারি পরিচালনা করা হবে। এতে প্রায় ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরে সেই তথ্যের ভিত্তিতে প্রক্সি মিনস টেস্ট স্কোর ব্যবহার করে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। সরকারের লক্ষ্য, ২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড শুমারি নির্দেশিকা, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। এছাড়া ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ এর খসড়া মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদনের পর গেজেট প্রকাশের জন্য মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা-১৮ আসনের অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বলেন, পাইলট পর্যায়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কড়াইল, সাততলা, ভাষানটেক, অলিমিয়ার টেক ও বাগানবাড়ী বস্তি এলাকার ১৯, ৮ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কিছু অংশে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উত্তরা ও আশপাশের এলাকায় পরিবার শুমারি সম্পন্ন হওয়ার পর চলতি অর্থবছরেই সেখানে ব্যাপক পরিসরে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। শুমারি শেষ হলে ওয়ার্ডভিত্তিক উপকারভোগীদের তালিকাও সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের দপ্তরে সরবরাহ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বিস্তার ঘটানো হচ্ছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন