নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
তারেক রহমান তিনি জানান, ইতোমধ্যে ঢাকার অধিকাংশ পার্ক ও মাঠ উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে দখলমুক্ত। শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হকের পদত্যাগের দাবি। মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরানের ৭ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। পরীক্ষার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছুরি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের একটি অংশ বর্ষা বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। স্কুলশিক্ষিকাকে ঘরে আটকে দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়েছে এক ছাত্রীর মা। এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১০ জন দগ্ধ হয়েছেন তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। রোমান্টিক মুহূর্তে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন কেয়া পায়েল।

স্কুলশিক্ষিকাকে ঘরে আটকে দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়েছে এক ছাত্রীর মা।

ভৈরবে পাওনা টিউশনির টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এক স্কুলশিক্ষিকাকে ঘরে আটকে দা দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়েছে এক ছাত্রীর মা ভুক্তভোগী শিক্ষিকার নাম সিঁথি সীমিতা (২৮)। হামলায় তাঁর মাথায় ১০টি কোপের আঘাত লেগেছে এবং হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এর আগে সোমবার সকালে উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লাহরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত হামলাকারী মা প্রিয়া বেগমকে (২৫) স্থানীয়রা হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

স্বজন ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা গেছে, সিঁথি সীমিতা স্থানীয় একটি বেসরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন। তিনি প্রিয়া বেগমের সন্তানকে মাসে দেড় হাজার টাকা চুক্তিতে তিন মাস ধরে পড়াচ্ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি টিউশনির পাওনা টাকা চাইলে প্রিয়া ক্ষুব্ধ হন। সোমবার সকালে পড়ানো শেষ করে চলে আসার সময় প্রিয়া ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে দা নিয়ে সিঁথির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন।

দরজায় জোড়া ছিটকিনি লাগানো থাকায় শিক্ষিকা সিঁথি ঘর থেকে বের হতে পারেননি। তাঁর সারা শরীরে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এতে তাঁর মাথায় ১০টি কোপ লাগে, যেখানে চিকিৎসকদের ৫০টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়া তাঁর হাতের সাতটি আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একটি আঙুল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সিঁথির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এসে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত হাসপাতালে পাঠান।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সিঁথি সীমিতা বলেন, মাথায় প্রথম কোপ দেওয়ার পর আমি দরজা খোলার চেষ্টা করি, কিন্তু সেদিন দরজায় দুটি ছিটকিনি লাগানো ছিল। প্রিয়া কোপানোর সময় আমার গলার ও হাতের দুই ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং বলছিল- ‘আমার কাছে এক আনা স্বর্ণ নেই, তুই এত স্বর্ণ পরে আছিস কেন? স্বর্ণ দে’।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার বাদী শিশু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, এটি হত্যা করে স্বর্ণালংকার লুট করার একটি পরিকল্পিত হামলা। অভিযুক্ত প্রিয়া এলাকায় আগেও এ ধরনের অপরাধ ঘটিয়েছেন। এখন ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে সাজানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

ভৈরব থানার জ্যেষ্ঠ উপপরিদর্শক এমদাদুল কবির জানান, হত্যাচেষ্টার মামলায় আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হামলার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

amardesh24.com

 

 

আরও পড়ুন