আশ্বস্ত করেছিলেন যে তাঁদের পরিবারে অনেক আইনজীবী রয়েছেন। জবানবন্দিতে মাহির আরও দাবি করেন, ছুরি কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের একটি অংশ বর্ষা বিকাশের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন
তবে অভিযুক্ত বর্ষার মা আনিকা রহমান দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ে নির্দোষ। তিনি বলেন, আগে যেমন বলেছেন, এখনও বলছেন তাঁর মেয়ে এই ঘটনায় জড়িত নয়।
এদিকে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু জানিয়েছেন, অভিযোগপত্রে মাহিরের বিরুদ্ধে ডিএনএ প্রতিবেদন, ১৬৪ ধারার জবানবন্দি এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রমাণ রয়েছে। তাঁর মতে, এসব প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগপত্রটি ১৩ জুলাই জিআরও শাখায় পৌঁছায়। পরে আদালত আগামী ১২ আগস্ট তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
নিহত জোবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সভাপতি ছিলেন। তাঁর পরিবার দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছে।
amardesh24.com









