তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে তিনি দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
মাহদী আমিন বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে অংশ নিতে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা প্রমাণ করে-একজন নেতা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এলে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়নে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এবং তার হাতকে শক্তিশালী করে আমরা বাংলাদেশের বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুনভাবে গড়ে তুলব।
তিনি আরও বলেন, এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা হবে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার মূল কারিগর ও অগ্রদূত।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রতিকূলতা, প্রতিবন্ধকতা ও বিরূপ প্রকৃতির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারবে। তারাই হবে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাণ্ডারি এবং প্রধানমন্ত্রী যে সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছেন, সেটি তাদের হাত ধরেই বাস্তবায়িত হবে।
তিনি জানান, দেশের প্রতিটি জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠসহ বিভিন্ন আয়োজনে তারাই অংশগ্রহণ করেছে।
মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনার মাধ্যমে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের স্বপ্ন তুলে ধরেছেন, যা নির্বাচনী পথযাত্রা ও নির্বাচনী ইশতেহারেও প্রতিফলিত হয়েছে। সেই পরিকল্পনার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে প্রায় ২ লাখ গাছ রোপণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতের শিক্ষাব্যবস্থায় মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সুনাগরিক হওয়ার শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ ও নীতিগত ভিত্তি শক্তিশালী হলে তারা দেশের পতাকা বিশ্ব দরবারে আরও উঁচুতে তুলে ধরতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী দিনের নেতৃত্ব দেবে যেসব শিক্ষার্থী, তাদের পছন্দের বিষয় ও আগ্রহের ক্ষেত্রে সফল হতে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র জানান, স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ২২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীকে নিয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আগামীতে প্রাইম-মিনিস্টার্স ফুটবল গোল্ড কাপ আয়োজনের জন্য পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
amardesh24.com









