নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পানি কমতে থাকায় সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস দিয়েছে। আগামী ৫ দিনও দেশজুড়ে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিপাতের দাপট থাকতে পারে। সাবেক আইজিপি বেনজিরকে আমিরাত থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রক্রিয়া শেষ। শিরোপা জয়ের সম্ভাব্য দল হিসেবে স্পেনের নাম এসেছে। প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস। ৫ মাস পূর্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে : প্রধান মন্ত্রী কার্যলয়ে। এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্টের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২—১ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপেই প্রিয় দলকে নিয়ে মেতে থাকেন এ নির্মাতা-অভিনেতা। শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি।

প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্প (আইআরজিসি) ।

আজ শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, ‘অপারেশন নাসর-২’-এর ১৭তম ধাপের অংশ হিসেবে বাহরাইনে থাকা মার্কিন মানববিহীন সারফেস ভেসেল (ইউএসভি) বা ড্রোন নৌযানের একটি ডিপোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ওই ডিপো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং সেখানে থাকা বিপুলসংখ্যক ড্রোন নৌযানে আগুন ধরে যায়।

একই বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও দাবি করে, বাহরাইনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কেন্দ্রও তাদের হামলায় ধ্বংস হয়েছে। সংস্থাটির অভিযোগ, মার্কিন বাহিনী সামরিক লক্ষ্য নির্ধারণে ওই কেন্দ্রটি ব্যবহার করত। তাদের দাবি, একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের আঘাতে স্থাপনাটি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে।

হামলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আইআরজিসি জানায়, আগের রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন সেতু ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছিল, যাতে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সেই হামলার জবাব হিসেবেই এই প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে আরও সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের পরিবহন অবকাঠামো ও সেতুগুলোর ওপর হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মালিকানাধীন অথবা মার্কিন অংশীদারিত্ব রয়েছে—এমন শিল্পপ্রতিষ্ঠান, তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে।

এছাড়া আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যেসব দেশ নিজেদের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে, তারা এসব হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী হিসেবে বিবেচিত হবে।

তবে আইআরজিসির উত্থাপিত এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র বা বাহরাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

amardesh24.com

আরও পড়ুন