নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ সামনে রেখে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন সর্তকবার্তা। ইউরোপে ৫ দেশের মানুষের জন্য ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণে সেই যুবক গ্রেপ্তার। বলৎকার হুজুরের পক্ষে সাফাই গাইলেন: চুমু দেওয়া হুজুর তাসরিফ। মেট্রোরেলে যাএীদের নিরাপত্তা জোরদার। সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে একাধিক পয়েন্টে সংঘাত মুখোমুখি। দেশে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বলাৎকার নিত্যপন্যর মতো:সরকার কাজ করছে। চাঁদাবাজির মতো মারাত্মক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা : আইজিপি।

আইএসপিআরের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান গণঅধিকার পরিষদের।

নিউজ ডেস্ক।
রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
রাজধানীর বিজয় নগরে গণঅধিকার পরিষদের অফিসের সামনে দলটির সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে ‘মব’ হিসেবে বর্ণনা করতে অস্বীকার করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেন, ঘটনার পর আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) যে বিবৃতি দিয়েছে, সেটি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।আজ রোববার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
আইএসপিআরের বিবৃতির প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, তারা বলেছে আমাদের ওপর ‘মব’ হামলা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, মব করেছে কারা? আমরা আমাদের কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিং করছিলাম, তখন সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য হামলা চালায়। এটিকে মব বলা যায় না। যদি মব হয়, তাহলে সেই মব সৃষ্টি করেছে সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য।
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, আমরা সেটি প্রত্যাখ্যান করি। আমাদের কার্যালয়ে ভাঙচুর করা হয়েছে, ভেতরে ঢুকে নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করা হয়েছে। এটাকে যদি মব বলা হয়, তবে সেই মব করেছে সেনাবাহিনী।
রাশেদ খাঁন জানান, বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে কীভাবে সেনাবাহিনী গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালিয়েছে। ওই সময় আতঙ্কে নেতাকর্মীরা বাথরুমে আশ্রয় নিয়েছিল। সেনা সদস্যরা বাথরুমের দরজা ভেঙে তাদের বের করে রক্তাক্ত করেছে।
তিনি বলেন, আমার নিজের কাছে লজ্জা লাগছে যে সেনাবাহিনীর নাম মুখে আনতে হচ্ছে। সেনাবাহিনী আমাদের গর্বের প্রতিষ্ঠান, যা গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অথচ কতিপয় ব্যক্তিকে রক্ষা করার জন্য পুরো বাহিনীকে কলুষিত করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সেনা প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এখনো তিনি তার অবস্থান স্পষ্ট করেননি। কেন তিনি তা স্পষ্ট করছেন না, এটি আমাদের কাছে উদ্বেগজনক।

আরও পড়ুন