নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ সামনে রেখে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন সর্তকবার্তা। ইউরোপে ৫ দেশের মানুষের জন্য ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণে সেই যুবক গ্রেপ্তার। বলৎকার হুজুরের পক্ষে সাফাই গাইলেন: চুমু দেওয়া হুজুর তাসরিফ। মেট্রোরেলে যাএীদের নিরাপত্তা জোরদার। সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে একাধিক পয়েন্টে সংঘাত মুখোমুখি। দেশে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বলাৎকার নিত্যপন্যর মতো:সরকার কাজ করছে। চাঁদাবাজির মতো মারাত্মক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা : আইজিপি।

নদীপথ দিয়ে মাদকের পাশাপাশি ঢুকছে মারাত্মক অস্ত্র।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।

বুধবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নদীপথ দিয়ে মাদকের পাশাপাশি ঢুকছে মারাত্মক অস্ত্। নেই কাঁটাতারের বেড়া ফলে সীমান্তজুড়ে বেড়েছে অস্ত্র চোরাচালান।বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র বলছে, একে–৪৭, জি–থ্রি রাইফেলসহ নানা বিদেশি অস্ত্র নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া ও টেকনাফের চোরাপথ দিয়ে আসছে। এসব অস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো ক্যাম্পে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় চক্রের সহায়তায়। আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে এ অস্ত্র এখন তাদের প্রধান চালিকাশক্তি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৫ বছরে রোহিঙ্গা গ্রুপগুলোর অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে প্রাণ গেছে দুই শতাধিক মানুষের। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অন্তত ৯টি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গেও এসব অস্ত্র ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।

রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ সোমবার সাংবাদিকদের বলেন,“মিয়ানমার থেকে অস্ত্র ঢুকে সরাসরি ক্যাম্পে চলে যায়। সীমান্তের ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিজিবির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।”বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে অন্তত ২২টি দেশি-বিদেশি অস্ত্রের চালান আটক হয়েছে। এতে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর দৌরাত্ম্যে তারা সবসময় ভয়ে থাকেন। তাদের ভাষায়, “বাংলাদেশিদের অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় এখন প্রধান ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”

৮ এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক পুলিশ সুপার রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, “কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, অস্ত্রবাজি বা সহিংসতা মেনে নেওয়া হবে না। এপিবিএন কঠোর অবস্থানে আছে এবং অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না।”বিশ্লেষকরা বলছেন, অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কক্সবাজারের সীমান্ত উপজেলা গুলো দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

 

আরও পড়ুন