নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ সামনে রেখে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন সর্তকবার্তা। ইউরোপে ৫ দেশের মানুষের জন্য ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণে সেই যুবক গ্রেপ্তার। বলৎকার হুজুরের পক্ষে সাফাই গাইলেন: চুমু দেওয়া হুজুর তাসরিফ। মেট্রোরেলে যাএীদের নিরাপত্তা জোরদার। সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে একাধিক পয়েন্টে সংঘাত মুখোমুখি। দেশে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বলাৎকার নিত্যপন্যর মতো:সরকার কাজ করছে। চাঁদাবাজির মতো মারাত্মক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা : আইজিপি।

কক্সবাজার রেল লাইন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের মার্চে।

নিজস্ব প্রতিবেদক।

শনিবার ১১ অক্টোবর ২০২৫

উদ্বোধনের ২ বছরের মাথায় অবশেষ দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের কাজ (কক্সবাজার রেল লাইন ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর আইকনিক স্টেশন ভবন) রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করতে যাচ্ছেন প্রকল্প পরিচালক। বাংলাদেশ রেলওয়ের বহুল গুরুত্বপূর্ণ দোহাজারী–কক্সবাজার রেল লাইন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী বছরের মার্চ। এর আগেই প্রকল্পের সকল কাজ রেলওয়ের কাছে হন্তান্তর করা হচ্ছে। তবে প্রকল্পের কাজ হস্তান্তরের আগে বিশেষ করে আধুনিক দৃষ্টি নন্দন স্থাপত্যে নির্মিত কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশন, দোহাজারী–কক্সবাজার ১০২ কিলোমিটার আধুনিক রেল লাইন এবং দোহাজারী থেকে রামু পর্যন্ত অপর ৯টি আধুনিক রেল স্টেশন ভবনসহ যাবতীয় কাজ সরেজমিনে দেখতে আসছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি)। আগামী শনি ও রোববার (১১ ও ১২ অক্টোবর) রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন কক্সবাজার আইকনিক স্টেশন ভবনসহ প্রকল্পের সকল কাজ দেখার জন্য আসছেন বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বহুল প্রতীক্ষিত ১০২ কিলোমিটার দীর্ঘ দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইনটি উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর ওই বছরের ১ ডিসেম্বর থেকে বাণিজ্যিকভাবে ঢাকা–কক্সবাজার ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তার এক মাস পর ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে চালু হয় পর্যটক এক্সপ্রেস। গত বছর চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রুটে চালু হয়েছে প্রবাল ও সৈকত এক্সপ্রেস। এরপর থেকেই দেশের মানুষের কাছে ট্রেনে করে দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজার ভ্রমণের আকর্ষণ দিনদিন বাড়তে থাকে। বর্তমানে রেলওয়ের সবচেয়ে লাভজনক রুট হচ্ছে কক্সবাজার রেলপথ।

রেলওয়ের মহাপরিচালকের দেখতে আসার ব্যাপারে জানতে চাইলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) এবং দোহাজারী–কক্সবাজার রেল লাইনের প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. সবুক্তগীন আজাদীকে বলেন, দোহাজারী–কক্সবাজার রেল লাইন প্রকল্পের মেয়াদ আগামী বছরের মার্চ পর্যন্ত। প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ায় আমরা রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করব। হস্তান্তরের আগে কাজের সবদিক দেখার জন্য আগামী শনি ও রোববার ডিজি মহোদয় আসবেন। উনি কাজের সবদিক দেখার পর আমরা রেলওয়ের কাছে হস্তান্তর করব। আধুনিক দৃষ্টি নন্দন স্থাপত্যে নির্মিত কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশনকে ঘিরে দেশের রেলযাত্রীদের অনেক স্বপ্ন। সারাদেশ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক কঙবাজার বেড়াতে যান। তাদের স্বপ্ন থাকে দেশের একমাত্র ৫ তলা বিশিষ্ট আইকনিক ভবনকে ঘিরে। এই ভবনের সৌন্দর্য অবলোকন করা, ঘুরে বেড়ানো, এই স্টেশন ভবনে যাত্রীদের যে সব সুযোগ সুবিধা থাকার কথা সে সব উপভোগ করা। কিন্তু পর্যটন নগরী কঙবাজারে ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার ২ বছরেও দৃষ্টিনন্দন আইকনিক ভবনের নিচতলায়ও পুরোদমে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। বারবার সময় নেয়ার পরও আইকনিক ভবনের কাজ শেষ করতে পারেনি প্রকল্পে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 

আরও পড়ুন