নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পূর্বাচল উপ-শহরের ৩০০ ফিট সড়কে ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- জ্বালানি মন্ত্রীর পদত্যাগের ৩ দফা দাবীতে গণবিক্ষোভ করবেন: এনসিপি। জুলাই আন্দোলনের গুলিবিদ্ধ এনসিপি নেতা বিষপানে আত্মহত্যা। শ্যামলী এনআর পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২। পটিয়ায় ১৬ লাখ টাকার চিনিসহ একটি কাভার্ডভ্যান আটক। ট্রোমসোতে ছুটি কাটাচ্ছেন টালিউড অভিনেতা দেব। মাহি ভিজের সংসার ভেঙেছে জয় ভানুশালীর সঙ্গে। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় হয়েছেন: পাভেল। জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর দেখা যাবে নেটফ্লিক্সে। তিশা ফারুকীর ১৬ বছরের সংসার জীবন ভাঙগনে গুঞ্জন।

অবৈধ বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে: চসিক।

কাজী জাহাঙ্গীর।

নগরীকে পরিকল্পিত, দৃষ্টিনন্দন ও পরিচ্ছন্ন মহানগর হিসেবে গড়ে তুলতে অবৈধ বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন স্থাপনার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। একই দিন নগরের কাজীর দেউরী এলাকায় অবৈধ বিলবোর্ড উচ্ছেদের মাধ্যমে অভিযান শুরু হয়। ম্যাজিস্ট্রেট টিম, প্রকৌশল ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদন ছাড়া স্থাপিত বিভিন্ন আকারের বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে সড়কের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল, ট্রাফিক সিগন্যাল ও দিকনির্দেশনা সাইনবোর্ড আড়াল হয়ে যাচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছিল। উচ্ছেদের পর মোড়টির দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

অভিযান পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “নগরজুড়ে অনুমোদনহীন বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার অপসারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রামকে বিলবোর্ডের জঞ্জালমুক্ত করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “নগরীর সৌন্দর্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার। সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বিলবোর্ড স্থাপন করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”মেয়র জানান, নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সোয়েব উদ্দিন খান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ, উম্মে কুলসুম, শাহরীন ফেরদৌসী, রক্তিম চৌধুরী, প্রণয় চাকমা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতি সর্ববিদ্যা ও বস্তি উন্নয়ন কর্মকর্তা মঈনুল হোসেন আলী জয়।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

 

আরও পড়ুন