নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ভারতীয় শাড়ি ও থ্রি-পিসসহ একটি কাভার্ড ভ্যান ও মোটরসাইকেল আটক করেছে বিজিবি। ব্যাটালিয়নের অভিযানে জব্দ প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি। নির্বাচন কমিশনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার। বন্দরে ‘ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ’ ঘোষণার আড়ালে কাটা বা আমদানির ঘটনা উদঘাটন করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা। ৫৩টি মোবাইল ফোন ও বিকাশ অ্যাকাউন্টে ভুলবশত চলে যাওয়া সর্বমোট ১৭ হাজার টাকা উদ্ধার। শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরবে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আর ই-টিকেটিং সিস্টেমের ড্যাশবোর্ডের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান। গ্লোবাল সিটিজ ইনডেক্সে বিশ্বের এক নম্বর শহর হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে নিউইয়র্ক। উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধি। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশে টানা ৫ দিনের ছুটি।

রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তার।

পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া করোনা রিপোর্ট দিয়ে প্রতারণার ঘটনায় দেশজুড়ে আলোচিত রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমকে আবারও গ্রেপ্তারকরেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান বাসির। তিনি জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলায় গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট ছিল। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনাভাইরাস মহামারির সময় করোনা পরীক্ষায় জালিয়াতি ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে মোহাম্মদ সাহেদ ব্যাপক আলোচনায় আসেন।

২০২০ সালের ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই করোনা পরীক্ষার সনদ প্রদান, সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা এবং অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এর পরদিন, ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতালের দুই শাখা ও প্রধান কার্যালয় সিলগালা করে। একই দিনে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

পরে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় সাতক্ষীরা থেকে র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর বিভিন্ন মামলায় দীর্ঘ সময় তিনি কারাগারে ছিলেন।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তাকে কারামুক্তি দেওয়া হয়েছিল।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন