নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
টেস্ট সিরিজ খেলতে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপ বয়কটের হুমকি ও সাবেক ফুটবলারদের তীব্র সমালোচনার মুখে। বর্তমান সংসদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। ডিজিটাল চাঁদাবাজি এবং সংগঠিত অপপ্রচারের এক নতুন বাস্তবতা। শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে ১০ দিনের রিমান্ডে। বিশ্বের ১৪টি আট-হাজারি পর্বতচূড়া দ্রুততম সময়ে জয়ের রেকর্ডধারী নেপালি। পেঁপেগাছ কেটে ধ্বংস করায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার। দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশের সব বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে ক্লাস ও হাসপাতালে ফিরতে পারছেন না

নিরাপত্তাহীনতার কারণে ক্লাস ও হাসপাতালে ফিরতে পারছেন না

মারধরের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে ক্লাস ও হাসপাতালে ফিরতে পারছেন নাডিপ্লোমা ইন অর্থোপেডিকস কোর্সের শিক্ষার্থী ডা. জিল্লুর রহমান তর্নণ। এ ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের আবেদন করেছেন তিনি।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, সরকারি আদেশে গত ১ জুলাই খুলনা মেডিকেল কলেজে ডিপ্লোমা ইন অর্থোপেডিকস কোর্সে ভর্তি হন ডা. তর্নণ। কোর্সের অংশ হিসেবে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। গত ২৬ জুলাই হাসপাতালের অর্থোপেডিকস বিভাগে তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

ডা. তর্নণের দাবি, দায়িত্ব পালনকালে বিএনপি-সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর নেতা ডা. আবু জাফর সালেহ পলাশ, ডা. ডেভিড এবং কয়েকজন আউটসোর্সিং কর্মচারী তার ওপর হামলা চালান। এতে তার মাথা, চোখ-মুখে আঘাত লাগে এবং আগে ভেঙে যাওয়া ডান পায়েও লাথি মারা হয়। পরে তাকে মারধর করতে করতে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তার ভাষ্য, ঘটনার পর থেকে ডান চোখ দিয়ে পানি পড়ছে, ডান কানে কম শুনতে পাচ্ছেন এবং আগের ভাঙা পায়ে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতেও সমস্যা হচ্ছে। নিরাপত্তার অভাবে তিনি কলেজ ও হাসপাতালে ফিরতে পারছেন না বলেও জানান।

ডা. তর্নণ বলেন, তিনি ডিপ্লোমা কোর্সটি শেষ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হতে চান। কিন্তু নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তার শিক্ষাজীবন ও পেশাগত ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হবে। এ কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন