চট্টগ্রামে দেখা দিয়েছে তীব্র গ্যাস সংকট।অনিয়মিত সরবরাহ ও গ্যাসের নিম্নচাপের কারণে কর্ণফুলীর সিএনজি স্টেশনগুলোতে যানবাহন রিফুয়েলিং করতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন চালকেরা।
চরফরিদ এলাকার ‘ফয়সিল ও জিলানী’ সিএনজি স্টেশন থেকে ক্রসিং মোড় পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। বাঁশখালী থেকে আসা অটোরিকশাচালক আবদুর রহিম বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ও গভীর রাতে বৃষ্টির মধ্যে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানীয় চালক মন্নান জানান, আগে ১০-১৫ মিনিটে গ্যাস নেওয়া গেলেও এখন ৩ থেকে ৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে দৈনিক আয় কমে যাওয়ায় এনজিওর কিস্তি শোধ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
কর্ণফুলীর ফয়সিল সিএনজি স্টেশনের ইনচার্জ মো. আবু তৈয়ব বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বন্ধ রাখা ছাড়া বাকি ২১ ঘণ্টা সেবা চালু রাখা হচ্ছে। কিন্তু মূল লাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় চাহিদামতো দ্রুত গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একইভাবে কামাল ব্রাদার্স, প্রাকৃতিক, ফোর স্টার ও তৈয়ব শাহ সিএনজি স্টেশনেও একই অবস্থা বিরাজ করছে।
চট্টগ্রামে কেজিডিসিএলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিস্ট্রিবিউশন) রফিক খান জানান, একটি ভাসমান এলএনজি (LNG) টার্মিনাল বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে। এর ফলে ১০ দিন ধরে সংকট চললেও সম্প্রতি ছুটির দিন থেকে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
এদিকে, স্টেশনগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারির কারণে মহাসড়কে যানজট তৈরি হচ্ছে এবং সাধারণ যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া ও ভোগান্ত পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সময়ে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবহন মালিক ও সাধারণ নাগরিকরা।
amardesh24.com









