নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ওয়াকিল ওপুলিশের সংঘর্ষ। আইফোন ল্যাপটপসহ চীনের ৬ নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। আমরা সবাই বাংলাদেশি, এটাই আমাদের বড় পরিচয়: আফরোজা। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরেছে বাংলাদেশ। মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বা এমইভি সুবিধা সীমিত করেছে মালয়েশিয়া। দুই মাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন মার্কোস ইয়োরেন্তে। যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাসের সুপারভাইজার নিহত হয়েছেন। ১২ জেলার উপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বৃষ্টি হতে পারে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী গাড়ির ধাক্কায় এক বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে: সন্দ্বীপবাসী।

জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে: সন্দ্বীপবাসী।

সন্দ্বীপের প্রায় ৪ লাখ মানুষের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।স্থায়ী চালক ও জ্বালানি বরাদ্দের সংকটের পাশাপাশি সমুদ্রযাত্রার অনুপযোগী জলযান থাকায় মুমূর্ষু রোগীদের দ্রুত মূল ভূখণ্ডে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

২০০৮ ও ২০১৫ সালে সরকারিভাবে সন্দ্বীপের জন্য দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতায় সেগুলো একদিনের জন্যও কার্যকরভাবে চালু করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে একটি সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পেছনে এবং অন্যটি গুপ্তছড়া ঘাটে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থেকে ধ্বংস হচ্ছে।

সম্প্রতি উত্তাল সাগরে অক্সিজেনের নল মুখে দিয়ে পলিথিনে ঢেকে এক বৃদ্ধাকে স্পিডবোটে করে চট্টগ্রামে নেওয়ার একটি ভিডিয়ো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সন্দ্বীপের জরুরি স্বাস্থ্যসেবার দুরবস্থা নতুন করে আলোচনায় আসে। এর পাশাপাশি সত্তরোর্ধ্ব ওসমাণ গণিসহ একাধিক মুমূর্ষু রোগীর ঘাটে মৃত্যুর ঘটনাও দ্বীপবাসীর উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

বিশেষ করে বৈরী আবহাওয়া কিংবা রাতে সাধারণ নৌযান চলাচল বন্ধ থাকলে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোকসহ সংকটাপন্ন রোগীদের চট্টগ্রামে নেওয়ার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা থাকে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত চিকিৎসার অভাবে ঘাটে কিংবা মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার পথেই অনেক রোগীর মৃত্যু ঘটছে।

সন্দ্বীপের সরকারি-বেসরকারি তিনটি হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, প্রতি সপ্তাহে ২০ থেকে ২৫ জন রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সন্দ্বীপ চ্যানেল পার করতে হয়। কিন্তু সাগরপথে রোগী পরিবহনের সুব্যবস্থা না থাকায় রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে উল্লেখ করে গাছুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা এম আশরাফ সিদ্দিকী বলেন, ‘সুযোগ ও সাধ্য অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার পরও কিছু রোগীকে জেলা শহরে স্থানান্তর অনিবার্য হয়ে পড়ে। তখন কালক্ষেপণের সুযোগ থাকে না।’

সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সমুদ্রপথে নিরাপদ ও দ্রুত রোগী পরিবহনের জন্য সমুদ্র উপযোগী বিশেষ সি-অ্যাম্বুলেন্স চেয়ে একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। তবে এখনো স্থায়ী কোনো প্রশাসনিক সমাধান হয়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস বলেন, আগের দুটি সি-অ্যাম্বুলেন্স এই উত্তাল সাগরে চলাচলের উপযোগী ছিল না। এই সাগরে চলাচলের উপযোগী অ্যাম্বুলেন্সের জন্য জরুরি ভিত্তিতে চিঠি দিয়েছি।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন