নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

বন্দীদের পৃথকভাবে রাখার প্রস্তাব।

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্রগ্রাম।

চট্টগ্রাম জেলার বন্দীদের রাখা হবে, এতে বিভিন্ন ধরনের বন্দীরা আলাদা থাকবে এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগ বা পরামর্শের সুযোগ কমবে, ফলে অপরাধও কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মহানগরের বন্দিদের স্থানান্তরের জন্য জঙ্গল সলিমপুরে নতুন কারাগার নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। রোহিঙ্গা, মাদকসংশ্লিষ্ট এবং অন্যান্য অপরাধে অভিযুক্ত বন্দীদের পৃথকভাবে রাখার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রস্তাবও সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। প্রয়োজনীয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে পরবর্তী করণীয় জানানো হবে।

দীর্ঘ ১৮৮৫ সালে চট্টগ্রাম শহরের লালদীঘি পাড় এলাকায় ১৪ দশমিক ৪০ একর জায়গায় চট্টগ্রাম জেলা কারাগার স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে উন্নীত করা হয়।

প্রথম পর্যায়ে কারাবন্দীদের রাখার জন্য পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নামে ৩ টি ভবন নির্মাণ করা হয়। প্রতিটিতে বন্দী রাখার ধারণক্ষমতা ৩০০ জনের। পরবর্তীতে বন্দীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় সাংগু, কর্ণফুলী ও হালদা নামে আরো তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়।

এগুলোর প্রতিটিতে বন্দী রাখার ধারণক্ষমতা ২৪০ জন করে। সেই হিসাবে ৬টি বন্দীশালায় ধারণক্ষমতা এক হাজার ৮৫৩ জনের। কিন্তু পর্যায়ক্রমে বন্দীর চাপ এতো বৃদ্ধি পেয়েছে বর্তমানে ৭ হাজারের বেশি বন্দী রাখতে হচ্ছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন