নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

একরামুল হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ১১ জনের অভিযোগ শুনানি।

টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হককে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ।আজ বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এ মামলায় বর্তমানে কারাগারে আটক চার আসামি হলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুব আলম এবং র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক কর্নেল (এলপিআররত) আনোয়ার লতিফ খান।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনাসহ পলাতক সাত আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, মেজর (অব.) রুহুল আমিন, লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আশেকুর রহমান এবং ডিজিএফআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার নাজমুস সাকিব মাহমুদ।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজারের টেকনাফের কিরণতলীর হোটেল নেটংয়ের সামনে সড়ক থেকে কাউন্সিলর একরামুল হককে তুলে নেওয়া হয়। পরে রাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নোয়াখালিয়াপাড়ায় মেরিন ড্রাইভের সাগরতীরে র‍্যাবের কথিত বন্দুকযুদ্ধের নামে তাকে হত্যা করা হয়।

নিহত একরামুল হক টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পাশাপাশি তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর মামলায় পলাতক সাত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়।

ওই দিন মিফতাহ উদ্দিন, মাহবুব আলম ও আনোয়ার লতিফ খানের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তবারক হোসেন। এসব আবেদনের বিষয়ে আদেশের জন্যও আজকের দিন ধার্য রয়েছে। ফলে আজ ওই তিন আসামির জামিন আবেদনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

শেখ হাসিনাসহ সাত আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে গত ২৫ আগস্ট দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। তবে ৭ সেপ্টেম্বর মামলার নির্ধারিত হাজিরার দিনে গ্রেপ্তার চার আসামি ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হলেও পলাতক অন্য আসামিরা আত্মসমর্পণ করেননি। পরে তাদের পলাতক ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ২৬ জুলাই শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ আটক ও অপহরণ, বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে গুলি করে হত্যা এবং অপরাধ সংঘটনে সরাসরি সম্পৃক্ততা, প্ররোচনা ও সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে। পাশাপাশি হত্যার নির্দেশ দেওয়ার মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

amardesh24.com

আরও পড়ুন