নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
আফগান ব্যাটারদের প্রতিরোধে ইউকেট তুলতে পারছিলেন না বাংলাদেশের বোলাররা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে লাগানো কালি কেনার টাকা জামায়াতের: রাশেদ খাঁন। ঢাবিতে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় ৫ শিক্ষার্থী আহত। কিপিং-গ্লাভস হাতে লিটনের পারফরম্যান্স দর্শকের মনে গাঁথা থাকবে। আন্তর্জাতিক আম্পায়ার সারাহ ডামবানেভানা মারা গেছেন। চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার। বিশেষ কিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ১১টি খাত নির্ধারণ করেছে সরকার: নুরুল হক নুর। প্রধান মন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জাতিসংঘে নিয়োগ নিয়ে আলোচনা। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় এ পর্যন্ত ৬১টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই।

বিনোদন ডেস্ক।

বাংলা ও উর্দু চলচ্চিত্রের খ্যাতিমান ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাসিমা খান আর নেই। গতকাল রোববার  রাত আনুমানিক ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরেই শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন নাসিমা খান। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। গুণী এই অভিনেত্রীর প্রয়াণে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ষাটের দশক থেকে শুরু করে আশির দশক পর্যন্ত বাংলা ও উর্দু ভাষার চলচ্চিত্রে নাসিমা খান ছিলেন এক পরিচিত ও সফল মুখ। ১৯৫৯ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমা জগতে তাঁর অভিনয় জীবনের অভিষেক ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে ‘যে নদী মরু পথে’ চলচ্চিত্রে প্রধান নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন।

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে তিনি ‘সূর্যস্নান’, ‘ধারাপাত’, ‘কার বউ’, ‘উজালা’, ‘বেগানা’, ‘আপন দুলাল’, ‘উলঝন’, ‘ম্যায় ভি ইনসান হু’, ‘দুই ভাই’, ‘গৌরী’, ‘আমার বৌ’ ও ‘ঢেউয়ের পরে ঢেউ’-এর মতো বেশ কিছু কালজয়ী চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এসব চলচ্চিত্রে তিনি আনোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম, রহমান, মুস্তফা, আজিম ও হারুনের মতো তৎকালীন শীর্ষস্থানীয় তারকাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করেছেন।

দীর্ঘ বিরতির পর ২০১১ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘কুসুম কুসুম প্রেম’ চলচ্চিত্রে তাঁকে শেষবারের মতো অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী যুগের এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের অবসান ঘটল।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন