শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা বা নাশকতার হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ। উৎসব নির্বিঘ্ন রাখতে সারা দেশে এসআরবির ১৫টি ব্যাটালিয়নের ৬ হাজারের বেশি সদস্য সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৪৫৭ জন সদস্য বিশেষ টহল ও নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরের নিরাপত্তাব্যবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান এসআরবি প্রধান।
মহাপরিচালক জানান, পূজামণ্ডপ ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিদিন ৫৪৯টি পিকআপ ও ৪৪৭টি মোটরসাইকেল টহল পরিচালনা করা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি না থাকলেও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি, নাশকতা কিংবা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলায় এসআরবির বিশেষায়িত ডগ স্কোয়াড ও বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারিতেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান আহসান হাবীব পলাশ। তিনি বলেন, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে বাহিনীটি ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করছে। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরাগুলোর কার্যক্রমও কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে উৎসবের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা ঠেকাতে এসআরবির সাইবার মনিটরিং সেল ২৪ ঘণ্টা নজরদারি ও তথ্য যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
পূজার শেষ পর্বের প্রস্তুতি সম্পর্কে এসআরবি প্রধান বলেন, বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের নির্ধারিত পথগুলোতে বিশেষ টহল ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সদস্যরা বিসর্জন ঘাটগুলোতে দায়িত্ব পালন করবেন
পূজামণ্ডপ ঝুঁকিপূর্ণ কি না, জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো মণ্ডপকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করার মতো তথ্য নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।
amardesh24.com









