আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
উখিয়ার ইনানীতে ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ অগ্নিকাণ্ডের ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তারের নেতৃত্বে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ তল্লাশি অভিযানে রিসোর্টের ক্ষতিগ্রস্ত কক্ষের পাশ থেকে টিনের স্তূপের নিচে চাপা পড়া অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষিকার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল উদ্ধার হওয়া মরদেহটি মুক্তার বলে শনাক্ত করেছেন। এর মধ্য দিয়ে ওই মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর উদ্ধার হওয়া ১০টি মরদেহের পরিচয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করে। তবে সেগুলোর কোনো নমুনার সঙ্গে মুক্তার পরিবারের ডিএনএ না মেলায়, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তাঁর সন্ধানে নতুন করে তল্লাশি শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন।
উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার জানান, নিখোঁজ শিক্ষিকার সন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে মঙ্গলবার দুপুরে টানা দুই ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে এই মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার জানান, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিহত নাসরিন আক্তার মুক্তা ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় অবস্থিত ‘স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলে’র শিক্ষিকা ছিলেন। দুই বান্ধবীর সঙ্গে তিনি কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তাঁর স্বামী দেওয়ান ফয়সাল ঢাকা জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে নিহত অপর ১০জনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়ার পর মঙ্গলবার বেলা ২ঃ ৩০মিনিট ঘটিকার সময় দিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান।
amardesh24.com









