আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন গাজীপুরের পোশাকশ্রমিকরা। আজ সোমবার সকাল ৮টা থেকে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ১০ প্লাটুন বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আটকে পড়েন দূরপাল্লার বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। ফলে ভোগান্তিতে পড়েন তাঁরা।
সকাল ৮টা ২৬ মিনিটে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া ও রিসার্চ সেল) মো. আরিফ হোসাঈন ‘মিডিয়া সেল ডিসি অব গাজীপুর’ গ্রুপে পাঠানো এক খুদেবার্তায় অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জেলা প্রশাসন ও শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শিল্প পুলিশ, জেলা পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের পাশাপাশি ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল পুলিশের পুলিশ সুপার (এসপি) আমজাদ হোসেন জানান, চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর, কোনাবাড়ী ও মৌচাক এলাকায় বিজিবি, শিল্প পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক করা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাঁরা কাজ করছেন।
গতকাল রোববার একই দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন পোশাকশ্রমিকরা। প্রথমে কালিয়াকৈরের মৌচাক, সফিপুর ও চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় অবরোধ শুরু হয়। এর ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
একপর্যায়ে কালিয়াকৈরের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় কয়েকটি কারখানার ফটক, মৌচাক এলাকার পুলিশ বক্স এবং কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নিচে থাকা পুলিশ বক্স ভাঙচুর করা হয়। এ ছাড়া আনসার একাডেমির সামনে একটি পিকআপ ভ্যানে আগুন ধরিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা।
পরে রতনপুর, কোনাবাড়ী ও কাশিমপুরসহ আশপাশের শিল্পাঞ্চলেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। শ্রমিকদের বিক্ষোভের মুখে এসব এলাকার প্রায় ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।
amardesh24.com









