সড়ক ও রেলপথ অবরোধ প্রত্যাহার করেছেন আন্দোলনকারীরা। এতে প্রায় সোয়া ৫ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে ট্রেন চলাচল আবার শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সুলতানপুর-চিনাইর-আখাউড়া-আগরতলা সড়কে ভারতগামী যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে।
আজ রোববার ( ৮ নভেম্বর২৬) সকাল ৬টা থেকে তিতাস সেতু ও কোড্ডা কেবিন এলাকায় রেল ও সড়কপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন বাসুদেব ইউনিয়নের ছয় গ্রামের বাসিন্দারা। পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে সড়ক ও রেলপথ ছেড়ে যান।
তবে দাবি পূরণ না হলে প্রতিদিন একই কর্মসূচি পালনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। ভোর থেকে টানা সোয়া পাঁচ ঘণ্টা অবরোধের কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ দুই রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।এতে পারাবত, পর্যটক এক্সপ্রেস, মহানগর, সুবর্ণ এক্সপ্রেস ও উপকূল এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেনের চলাচল ব্যাহত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বছরের মে মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ছয়টি গ্রাম পৃথক করে বরিশল নামে নতুন একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। গ্রামগুলো হলো কোড্ডা, বৈষ্ণবপুর, শ্যামনগর, কোড়াবাড়ি, চান্দি ও বরিশল।
নতুন ইউনিয়নটিকে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে গত ৪ জুন গেজেট প্রকাশ করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে। এরপর তারা অবরোধ তুলে নিয়েছেন।
amardesh24.com








