নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৪৪ জন। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানাতে ভয়াবহ আগুন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তা ড,ইউনুস। ২ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরাতে সহযোগিতা চায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা। ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় চ্যালেঞ্জ করে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন : ইনু। যুবরাজ সিংকে দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সাংবাদিক ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াই করতে যুক্তরাজ্যের ২ আইনজীবীর আবেদন। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আজারবাইজান ও ইরাক সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক। দেশে ডিজেলের দাম বাড়ায় সরকার বাসভাড়া সমন্বয় করেছে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার ‘ন্যূনতম হস্তক্ষেপ’ করেনি: প্রেস সচিব।

শনিবার, ৫ জুলাই, ২০২৫

পতিত আওয়ামী লীগ সরকার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করলেও অন্তর্বর্তী সরকার সেই পথে হাঁটেনি বলে দাবি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, “আগে পিএম অফিসের একজন ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মনস্টার ছিলেন। ওনার জন্য এটা করা যাবে না, ওটা করা যাবে না। আমরা তো সে জায়গায় যেতে চাই না।
“আমরা চাই বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাক। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ, লিগ্যাল এবং গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে চাপ দেওয়া- এই ৩ টি জায়গায় এই সরকার ন্যূনতম কোনো হস্তক্ষেপ করেনি।আজ শনিবার ঢাকার কারওয়ান বাজারে ‘গণমাধ্যম সংস্কার প্রতিবেদন পর্যালোচনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন শফিকুল।
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রশ্নে বড় পরিবর্তন হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টটা আমাদের মাথার ওপর একদম একটা খড়্গ হিসেবে ছিল; যেটা ব্যবহার করে একটা হিসাবে এসেছে- সাত হাজারের বেশি কেইস করা হয়েছে। মেইন টার্গেট ছিল বাকস্বাধীনতাকে ব্যহত করা।
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার আমলে মানুষ মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় কথা বলতে পারত না অনেক ক্ষেত্রেই; ফেইসবুক বা ইউটিউব বা সোশাল মিডিয়াকে সবার কণ্ঠস্বরকে নিয়ন্ত্রণ করার একটা যন্ত্র বা মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছে। সেটাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট নিয়ে আসে। আমরা প্রথম যে কাজটা করেছি, এই পুরো আইনটাকে বাদ দিয়েছি।”
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বদলে যে অধ্যাদেশ এসেছে তা সবার সঙ্গেই আলোচনা করে করা হয়েছে বলে দাবি করেন শফিকুল। নতুন আইন এসেছে। কেউ বলতে পারবে এটার মাধ্যমে কারও বাক স্বাধীনতায় আমরা আক্রমণ করেছি। শুধু এই আইন না, আরও অনেকভাবেই বাংলাদেশে মানুষের মুখ বন্ধ করা হয়েছে।”
আওয়ামী লীগ সরকার ডিজিএফআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার মাধ্যমে ‘ভয়ের সংস্কৃতি’ তৈরি করেছিল মন্তব্য করে প্রেস সচিব বলেন, “আগে যেটা ছিল গোপন কোনো সংস্থাকে দিয়ে একটা ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করে আপনার মুখটাকে বন্ধ করা।
কোনো ইন্টিলিজেন্স এজেন্সি যেন কোনো সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিককে একটা যেন ফোন না করে।

আরও পড়ুন