নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৪৪ জন। টঙ্গীতে ওষুধ কারখানাতে ভয়াবহ আগুন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হেনস্তা ড,ইউনুস। ২ বাংলাদেশির মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরাতে সহযোগিতা চায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা। ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় চ্যালেঞ্জ করে খালাস চেয়ে আপিল করেছেন : ইনু। যুবরাজ সিংকে দিল্লি ক্যাপিটালসের সহকারী ও ব্যাটিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। সাংবাদিক ফারজানা রুপার পক্ষে আইনি লড়াই করতে যুক্তরাজ্যের ২ আইনজীবীর আবেদন। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে আজারবাইজান ও ইরাক সফরে যাচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একটি নির্মাণাধীন ভবনে অভিযান চালিয়ে ৬৩০ জন বিদেশি নাগরিককে আটক। দেশে ডিজেলের দাম বাড়ায় সরকার বাসভাড়া সমন্বয় করেছে।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

আমারদেশ২৪ নিউজ।

বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই , ২০২৫

আইনহীবী সাইফুল ইসলাম হত্যাসহ রাষ্ট্রদ্রোহ ও সন্ত্রাস সংশ্লিষ্ট ৫টি মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১ টা ২৫ মিনিটে শুনানি শেষে চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের (বিচারক হাসানুল ইসলাম) এ আদেশ দেন। বিষয়টি রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ নিশ্চিত করেন।

চিন্মময় দাশের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেয় ঢাকা থেকে আগত আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি টিম।জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আদালত চত্বর ছিল পুলিশের টহল ও নজরদারিতে।

২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ডের তৎকালীন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান কোতোয়ালি থানায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, তারা জাতীয় পতাকা অবমাননা করেছেন। পরে ফিরোজ খানকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর ২৫ নভেম্বর ঢাকায় অভিযান চালিয়ে চিন্ময়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।পরদিন ২৬ নভেম্বর তার জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এসময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত সাইফুলের বাবা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন।

আলিফ হত্যা ঘটনায় ছাড়াও পুলিশের ওপর হামলা, কাজকর্মে বাধা, বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে আরও ৫টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় মোট ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরমধ্যে অন্তত ২১ জনের বিরুদ্ধে সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

চিন্ময় দাশকে বর্তমানে এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে আছেন এবং জামিন না মঞ্জুর হওয়ায় তিনি এখনও বিচারিক হেফাজতেই রয়েছেন।

 

আরও পড়ুন