স্থানীয় সরকার সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার
এর আগে রাতে চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশন ভবনের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের সাথে জলাবদ্ধতা নিরসনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চট্টগ্রাম নগর ডুবে যাওয়ার যে খবর প্রচার হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও অতিরঞ্জিত।সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে নগরের অধিকাংশ এলাকায় জলাবদ্ধতার অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি, কেবল প্রবর্তক মোড় এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষের চলমান উন্নয়নকাজের কারণে সাময়িক জলজট দেখা দেয়।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, চলমান খাল সংস্কার প্রকল্পের কারণে কিছু জায়গায় পানি প্রবাহে বাধা তৈরি হলেও দ্রুত তা অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে খালের পানি প্রবাহ সচল করা হবে এবং বর্ষার পর পুনরায় স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ইতোমধ্যে ৩৬টি খালের মধ্যে ৩০টির কাজ সম্পন্ন করেছে এবং প্রায় ৬ হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে। বাকি খালগুলোর কাজ চলমান রয়েছে এবং চলতি বছরের মধ্যেই তা শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা ৫০-৬০ শতাংশ কমেছে। আগামী মৌসুমে এটি ৯০-৯৫ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, চট্টগ্রামে বিভিন্ন সংস্থা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বন্দর কর্তৃপক্ষসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান কাজ করায় সমন্বয়ের ঘাটতি দেখা দেয়। এ সমস্যা সমাধানে মেয়রের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হবে, যাতে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
এসময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গত এক বছরে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নগরের জলাবদ্ধতা ৫০-৬০ শতাংশ কমানো সম্ভব হয়েছে। চলমান প্রকল্পগুলো শেষ হলে তা আরো ৭০-৮০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
আমারদেশ২৪ নিউজ।








