নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রোহিঙ্গা ক্যাম্প অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার। বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে আদালতের নোটিশ। পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্র সরকার। নগরকান্দায় বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। নয়াদিল্লিতে মোতায়েন করা হয়েছে ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ। স্কুলছাএী তানজিম হত্যা মামলায় সিএনজি চালক গ্রেপ্তার। সামাজিক বৈষম্য দূর করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী। ডিজেলের চড়া দামের মধ্যে জ্বালানিটির মূল্য কমাতে বড় ঘোষণা। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।

কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের জন্য সুপরিচিত। এবার সেই পর্যটননগরীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিমান অবকাঠামো প্রকল্পগুলোর একটি। কয়েক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কাজ প্রায় শেষ। আগামী ২ অক্টোবর থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাচ্ছে।

রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন টার্মিনাল ভবন, নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাসহ সবকিছুই প্রায় প্রস্তুত। কিন্তু এত বিপুল বিনিয়োগ ও প্রস্তুতির পরও আশংকা রয়ে যাচ্ছে—আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু করতে এয়ারলাইনগুলো কবে প্রস্তুত হবে।

সরকারের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা ও এয়ারলাইনগুলোর বাণিজ্যিক বাস্তবতার মধ্যে তৈরি হয়েছে এক অদৃশ্য টানাপোড়েন। ফলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে—কক্সবাজার বিমানবন্দর কি সত্যিই আন্তর্জাতিক মানচিত্রে জায়গা করে নেবে, নাকি অবকাঠামো উন্নয়নের গল্পেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে?

কক্সবাজার বিমানবন্দরটির ইতিহাস অনেক পুরোনো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সামরিক প্রয়োজনে এটি নির্মিত হয়। স্বাধীনতার পর থেকে কেবল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হলেও কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতের খ্যাতি ও পর্যটন সম্ভাবনার কারণে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিকীকরণের দাবি উঠছিল। তবে বাস্তব পদক্ষেপ শুরু হয় প্রায় এক দশক আগে। তখন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সরাসরি রেল সংযোগসহ একাধিক মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।

সরকারের পরিকল্পনা ছিল, কক্সবাজারকে শুধু পর্যটন শহর নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার একটি শক্তিশালী এভিয়েশন ও অর্থনৈতিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দরটিকে “দুবাইয়ের মতো উড়োজাহাজ রিফুয়েলিং গেটওয়ে” করার স্বপ্নও দেখিয়ে ছিলেন। সেই স্বপ্ন থেকেই শুরু হয় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রূপান্তর।

৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে সম্প্রসারিত হয়েছে রানওয়ে। দৈর্ঘ্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯,০০০ ফুটে, প্রস্থ ২০০ ফুট। সমুদ্রের ভেতর পর্যন্ত বিস্তৃত করে ১০,৭০০ ফুট পর্যন্ত রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ চলছে, যা ওয়াইড বডির উড়োজাহাজকেও পূর্ণ সক্ষমতায় ওঠানামার সুযোগ করে দেবে।

এ ছাড়া ৩৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনাল ভবনের কাজ শেষ হওয়ার কথা ৩০ সেপ্টেম্বর। বছরে ১৮ লাখ যাত্রী সেবা দেওয়ার সক্ষমতা থাকবে এই টার্মিনালে, যা বর্তমানের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

বেবিচকের সদস্য (পরিচালনা ও পরিকল্পনা) এয়ার কমডোর আবু সাঈদ মেহবুব খান জানান, ২ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক মর্যাদা পাবে। প্রথমদিকে সীমিত আকারে ফ্লাইট শুরু হতে পারে, তবে আগামী মার্চ নাগাদ ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

আরও পড়ুন