নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ক্ল্যাসিকোয় বার্সেলোনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফেনীতে মেয়ের বটির কোপে মায়ের মৃত্যু। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭ জনকে ২ দিনের রিমান্ড। মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় আসেন: ইশরাক। জীবনের প্রথম আমজনতার তারেক ৪ দিনের সফরে জাপানে গেলেন। পটিয়া কুসুমপুরা অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে মারধর- চমেক মৃত্যু। জামায়াত নিজেদের ক্ষেত্রে ন্যায় কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে নারাজ: তাসনিম। ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আওয়ামীপন্থি ২ আইনজীবী। তেলোর দাম কমায় বিশ্ববাজারে সোনার বেড়েছে। সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতে পিছ পা হবেন না: আইজিপি।

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭ জনকে ২ দিনের রিমান্ড।

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭ জনকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। তাঁদের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মচারী রয়েছেন। তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি, চক্রটি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত এবং আরও ১১টি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পরিকল্পনা করেছিল।

গতকাল রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. মোহাইমিনুল ইসলাম সাত আসামির প্রত্যেককে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন মো. মফিজুল ইসলাম, মো. রুবেল ইসলাম, মো. হাসিনুর রহমান ওরফে সুজন, আসাদুল ইসলাম, এস এম এমদাদুল রহমান, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও নূর মোহাম্মদ। তাঁদের মধ্যে নূর মোহাম্মদ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিস সহায়ক, জাহাঙ্গীর আলম ও এস এম এমদাদুল রহমান কম্পিউটার অপারেটর, আসাদুল ইসলাম প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক এবং রুবেল ইসলাম পরিবেশ অধিদপ্তরের ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। মফিজুল ও হাসিনুরকে প্রশ্ন ফাঁসকারী চক্রের সদস্য বলে দাবি করেছে তদন্ত সংস্থা।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, চক্রের সদস্যরা চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে অর্থ নিয়ে পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সরবরাহ এবং উত্তর মুখস্থ করিয়ে দেওয়ার চুক্তি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর প্রবেশপত্র, ব্যাংকের চেক ও প্রশ্ন লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য মিলেছে।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও আলামতের পর্যাপ্ততা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এস এম এমদাদুল রহমানের আইনজীবী দাবি করেন, তাঁর মক্কেল এজাহারভুক্ত আসামি নন এবং তাঁকে হয়রানি করতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, তাঁর কাছ থেকেও গুরুত্বপূর্ণ আলামত পাওয়া গেছে।

আসাদুল ইসলামের জামিন আবেদনের শুনানিতে তাঁর কাছে বিপুলসংখ্যক চেক, স্ট্যাম্প ও প্রবেশপত্র থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারক। আসাদুল জানান, তাঁর স্ত্রীর নামে একটি ব্যবসা রয়েছে এবং কয়েকজন আত্মীয় পরীক্ষার্থী হওয়ায় তাঁদের প্রবেশপত্র তাঁর ফোনে ছিল। তবে এসব নথি তাঁর কাছে থাকার কারণ নিয়ে আদালতে প্রশ্ন ওঠে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন