নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ। বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে নতুন করে লোডশেডিং বেড়েছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ট্রাক সিএনজি সংঘর্ষে ১ নারী নিহত ৭ জন আহত। ম্যাগাজিন ১৩ রাউন্ড গুলিসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপদ, আধুনিক ও যানজটমুক্ত করতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। লঘুচাপের প্রভাবে দেশের ৮ বিভাগেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। নয়া দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন যাচ্ছেন না প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান। শেখ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

ডাকসু নির্বাচনে শীর্ষ ৩ পদে শিবিরপন্থী প্যানেলের জয়।

আমারদেশ২৪ ডেস্ক।
 বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বড় ধরনের চমক এসেছে। শীর্ষ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদ-ভিপি, জিএস ও এজিএস-সবগুলোতেই জয় পেয়েছে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট।আজ বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ফলাফলে দেখা যায়, ভিপি পদে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) সর্বাধিক ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত মো. আবিদুল ইসলাম খান পান ৫ হাজার ৭০৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা ও শামীম হোসেন যথাক্রমে ৩ হাজার ৩৮৯ ও ৩ হাজার ৬৮১ ভোট পেয়েছেন।

জিএস পদে জয় পেয়েছেন শিবির সমর্থিত প্রার্থী এস এম ফরহাদ। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৯৪ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলপন্থী প্রার্থী তানভীর বারী হামীম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট এবং প্রতিরোধ পর্ষদের মেঘমল্লার বসু পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৪৯ ভোট।

এজিএস পদেও জয় এসেছে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ঝুলিতে। প্রার্থী মহিউদ্দীন খান ৯ হাজার ৫০১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত তানভীর আল হাদী মায়েদ পান ৪ হাজার ২৫৪ ভোট।

এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯৫৯ এবং ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৯১৫ জন। ডাকসুর ২৮টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৪৭১ জন প্রার্থী। পাশাপাশি ১৮টি হল সংসদের ২৩৪টি পদে লড়েছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী।ফলাফলে শীর্ষ ৩টি পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের জয় ছাত্ররাজনীতির অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আরও পড়ুন