নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রী বিমান উড্ডয়নে বিলম্ব। শ্রীমঙ্গলে এক নারী হত্যা মামলায় ৪ আসামি মৃত্যুদন্ড। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টাকালে ৩ ভারতীয় নাগরিকসহ ৯ জন আটক। সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির জানাজা সম্পন্ন। সংসদ সদস্যের সন্তানকেও গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাঈনউদ্দীন বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে এক বিদায় সংবর্ধনা। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রাশিয়ার বিশেষজ্ঞদের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। সন্ধ্যা ৬টার পর নৌযানে মাওয়া ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিভিন্ন স্টেশনে আটকা একাধিক ট্রেন। লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

কাজী জাহাঙ্গীর: চট্রগ্রাম।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল করিডোরে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।এর অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তর, ঢাকা-কুমিল্লা সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণ এবং ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মো, এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

সংসদ সদস্য এনামুল হক জানতে চান, ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব কমাতে ইলেকট্রিক বা বুলেট ট্রেন চালুর কোনো পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে কি না এবং থাকলে তা কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন চালুর জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর এর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

তিনি বলেন, অর্থায়ন পাওয়া গেলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা সম্ভব হবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বাড়ার পাশাপাশি দুই শহরের মধ্যে যাতায়াতের সময়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দূরত্ব কমাতে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত সরাসরি কর্ডলাইন নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা তৈরির কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর্ডলাইন নির্মাণ করা হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে রেলপথের দূরত্ব কমবে এবং ট্রেনের গড় গতি বাড়বে। ফলে দুই শহরের মধ্যে দ্রুত যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত পুরো রেলপথ ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে।

এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। টঙ্গী-আখাউড়া অংশের প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়নের কাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে।প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরে বাংলাদেশ রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়বে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন