নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণা।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণ দিয়েছে সরকার। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়। সরকারের আশা, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যেই নতুন ব্যবস্থার আওতায় বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে।

এবারের ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। আগে যেখানে মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচনের বিষয়টি প্রাধান্য পেত, এবার বাংলাদেশ সরকার নিজেই এজেন্সি নির্বাচন করবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ব্যয় ও অনিয়ম কমিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে জনশক্তি রপ্তানি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, পুরো প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে না পারলে ভবিষ্যতে আবারও শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ইতিহাসে কয়েক দফা বন্ধ ও পুনরায় চালুর ঘটনা রয়েছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০১৬ সালে তা পুনরায় চালু হলেও ২০১৮ সালে আবারও একই ধরনের অভিযোগের কারণে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া স্থগিত করে মালয়েশিয়া।

এরপর ২০২২ সালের আগস্ট মাসে নতুন করে কর্মী পাঠানো শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত ও প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়ে ধারাবাহিক আলোচনা চলতে থাকে।

এদিকে ২০২৪ সালে বিভিন্ন জটিলতার কারণে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি কর্মীদেরও দ্রুত মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য পৃথক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের মধ্যে শ্রমবাজার নিয়ে আলোচনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। ওই আলোচনার ধারাবাহিকতায় আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা দ্রুত নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ফল হিসেবে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ঘোষণা এসেছে, যা বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন