নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে।

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে।আজ শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজির দামই কেজিপ্রতি ১০০ টাকা ছাড়িয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে। হাতেগোনা দুই-একটি সবজি ছাড়া প্রায় সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি ১০০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের একেবারেই বাইরে চলে যাচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের, যার প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ টাকায়। হঠাৎ করে সবজির এমন লাগামহীন দাম বৃদ্ধির কারণে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তি ও হতাশার সম্মুখীন হচ্ছেন।

বাজারের বর্তমান দরদাম বিশ্লেষণে দেখা যায়, একমাত্র পেঁপে ছাড়া অন্যান্য সবজির দাম আকাশছোঁয়া। বাজারে প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা এবং চিচিঙ্গা, পটল ও ঢেঁড়স ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে; এছাড়া জালি কুমড়া প্রতি পিস ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিস ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, প্রতি কেজি কচুর লতি ১০০ টাকা, বরবটি ও করলা ১২০ টাকা, গাজর ১৩০ টাকা, উচ্ছে ১৪০ টাকা এবং কাকরোল ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন ও শসার ক্ষেত্রে দাম আরও চড়া; লম্বা বেগুন ১২০ টাকা ও গোল বেগুন ১৬০ টাকায় এবং শসা মানভেদে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটোর কেজি ১৬০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে এবং কাঁচা মরিচ বাজারভেদে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে এবং তারা বাজার মনিটরিংয়ের অভাবকে এর জন্য দায়ী করছেন। মালিবাগ বাজারে বাজার করতে আসা সরকারি চাকরিজীবী হায়দার আলী জানান, বাজারে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, বৃষ্টির কারণে দাম কিছুটা বাড়লেও বাজারে কোনো নজরদারি না থাকায় বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছামতো দাম হাঁকাচ্ছেন। একইভাবে রামপুরা বাজারের আরেক ক্রেতা মাসুদ রানা চরম হতাশা প্রকাশ করে বলেন, সবজি কিনতেই যদি এত টাকা খরচ হয়ে যায়, তবে মাছ, মাংস বা মুরগি কেনা তাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়বে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন