নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

জ্বালানি খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুই দেশ।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে তুরস্কের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দুই দেশ এ লক্ষ্যে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে জ্বালানি সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পায়।

বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তুরস্ক দূতাবাসের বাণিজ্য কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ত এবং ইউনাইটেড আইগাজ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হারুন ওরতাচও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত রামিস শেন বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সহযোগিতার অগ্রগতি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন।

জ্বালানি উপদেষ্টা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিকভাবে ঘনিষ্ঠ দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগ পারস্পরিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে বলেও তিনি মত প্রকাশ করেন।

আলোচনায় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও তুরস্কের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরির সম্ভাবনা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন