নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২৫ ও ২৪ ব্যাচের এবং অতীতে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এবার বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার কর্মকর্তাদের ২৫ ও ২৪ ব্যাচের এবং অতীতে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।তবে ২৫ ব্যাচে মেধা তালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা দুই কর্মকর্তার পদোন্নতি হয়নি।
এসএসবির বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন
প্রশাসনের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ কমিটি সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড (এসএসবি)। এ কমিটি উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাইয়ের পর পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করে। এবার প্রায় আট মাস যাচাই-বাছাইয়ের পর উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয় সেই সারসংক্ষেপ। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর পদোন্নতির প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে এই কমিটির সদস্য প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র ও অর্থ বিভাগের সচিব বা জ্যেষ্ঠ সচিব এবং মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি)। প্রতিটি বৈঠকের জন্য ভাতা পান কমিটির সদস্যরা। এই কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেয় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে জানতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হককে একাধিকবার ফোন করা ও খুদে বার্তা পাঠানো হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। তবে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, তারা শীর্ষ কর্মকর্তাদের নির্দেশে পদোন্নতির তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ফিরোজ মিয়া বলেন, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার সুযোগ নেই। এ কারণে, পুরো তালিকাই বিতর্কিত হয়ে গেছে। পদোন্নতির প্রক্রিয়া নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জাগবে। তিনি বলেন, এ জন্য এসএসবি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায় আছে। সরকারের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়েছে।
প্রশাসন-সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি পদোন্নতি শুধু ব্যক্তিগত সুবিধার বিষয় নয়। এটি পুরো প্রশাসনিক ব্যবস্থার ন্যায্যতা, শৃঙ্খলা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাসযোগ্যতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এ ধরনের সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও আইনি ভিত্তি স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
amardesh24.com

আরও পড়ুন