নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী স্মরণ সভায় চসিক মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ সামনে রেখে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক দল চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়ে বাংলাদেশীদের জন্য নতুন সর্তকবার্তা। ইউরোপে ৫ দেশের মানুষের জন্য ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণে সেই যুবক গ্রেপ্তার। বলৎকার হুজুরের পক্ষে সাফাই গাইলেন: চুমু দেওয়া হুজুর তাসরিফ। মেট্রোরেলে যাএীদের নিরাপত্তা জোরদার। সীমান্তে ভারত ও চীনের সৈন্যদের মধ্যে একাধিক পয়েন্টে সংঘাত মুখোমুখি। দেশে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বলাৎকার নিত্যপন্যর মতো:সরকার কাজ করছে। চাঁদাবাজির মতো মারাত্মক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা : আইজিপি।

মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনায় অন্তত ১২ শ্রমিক নিহত।

রাজ্য সিকিমে নির্মাণাধীন একটি টানেলে মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনায় অন্তত ১২ শ্রমিক নিহ হয়েছেন। এখনও টানেলের ভেতরে আটকে থাকা আরও ১৩ শ্রমিককে উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভেতরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। টানেলটি তিস্তা নদীর পানি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের টারবাইনে সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছিল। এটি রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশনের বাস্তবায়নাধীন একটি বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অংশ।

ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশন এক বিবৃতিতে জানায়, শিলার ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা মিথেন গ্যাস হঠাৎ বেরিয়ে এসে বিস্ফোরণের সৃষ্টি করে। এর ফলে টানেলের ভেতরে ঘন ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি অংশ ধসে যায়। সিকিম সরকারও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিথেন গ্যাসের দহনের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মিথেন একটি প্রাকৃতিক গ্যাস, যা অনেক সময় ভূগর্ভে জমে থাকে। টানেল খননের সময় এই গ্যাস বেরিয়ে এসে কোনো স্ফুলিঙ্গ বা আগুনের সংস্পর্শে এলে বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় টানেলের বিভিন্ন অংশে মোট ২৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। বিস্ফোরণের পর দুজন নিরাপদে বেরিয়ে এলেও ২৫ জন টানেলের ভেতরে আটকা পড়েন। এ পর্যন্ত ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ থাকা বাকি ১৩ জনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সিকিম পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট সোনাম ডি ভুটিয়া জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের একজন সিকিমের বাসিন্দা। অন্যরা পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরাখণ্ড ও আসাম থেকে আসা শ্রমিক। ময়নাতদন্তের পর তাদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর কর্মকর্তা মোহসেন শাহেদি জানান, টানেলের একটি নির্দিষ্ট ২০০ মিটার এলাকায় আটকে পড়া শ্রমিকদের অবস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই এলাকাকে কেন্দ্র করেই উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। তিনি বলেন, কীভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন