নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনায় অন্তত ১২ শ্রমিক নিহত।

রাজ্য সিকিমে নির্মাণাধীন একটি টানেলে মিথেন গ্যাসের বিস্ফোরণ ও ধসের ঘটনায় অন্তত ১২ শ্রমিক নিহ হয়েছেন। এখনও টানেলের ভেতরে আটকে থাকা আরও ১৩ শ্রমিককে উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।

ভারতের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী জানিয়েছে, সোমবার টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভেতরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। টানেলটি তিস্তা নদীর পানি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের টারবাইনে সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা হচ্ছিল। এটি রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশনের বাস্তবায়নাধীন একটি বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের অংশ।

ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার করপোরেশন এক বিবৃতিতে জানায়, শিলার ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা মিথেন গ্যাস হঠাৎ বেরিয়ে এসে বিস্ফোরণের সৃষ্টি করে। এর ফলে টানেলের ভেতরে ঘন ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি অংশ ধসে যায়। সিকিম সরকারও পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিথেন গ্যাসের দহনের কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মিথেন একটি প্রাকৃতিক গ্যাস, যা অনেক সময় ভূগর্ভে জমে থাকে। টানেল খননের সময় এই গ্যাস বেরিয়ে এসে কোনো স্ফুলিঙ্গ বা আগুনের সংস্পর্শে এলে বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় টানেলের বিভিন্ন অংশে মোট ২৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। বিস্ফোরণের পর দুজন নিরাপদে বেরিয়ে এলেও ২৫ জন টানেলের ভেতরে আটকা পড়েন। এ পর্যন্ত ১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ থাকা বাকি ১৩ জনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সিকিম পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট সোনাম ডি ভুটিয়া জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে সাতজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের একজন সিকিমের বাসিন্দা। অন্যরা পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরাখণ্ড ও আসাম থেকে আসা শ্রমিক। ময়নাতদন্তের পর তাদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে।

জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীর কর্মকর্তা মোহসেন শাহেদি জানান, টানেলের একটি নির্দিষ্ট ২০০ মিটার এলাকায় আটকে পড়া শ্রমিকদের অবস্থানের সম্ভাবনা রয়েছে। সেই এলাকাকে কেন্দ্র করেই উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

এদিকে, দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। তিনি বলেন, কীভাবে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে বিশেষজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন