নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদি।

শিক্ষা সংস্কার এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান ককরোচ আন্দোলনের মধ্যে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নরেন্দ্র মোদিসরকার।

গতকাল বৃহস্পতিবার এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সরকার ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এবং ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল থেকে মোট চারটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আন্দোলনকারীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যেকোনো সময় আলোচনায় বসতে প্রস্তুত এবং তরুণদের সুবিধাজনক সময় অনুযায়ী বৈঠক আয়োজন করতে চায়।

তিনি আরও জানান, সম্ভাব্য ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডাও অংশ নেবেন। বৈঠকটি তার কার্যালয় অথবা সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জিতেন্দ্র সিংয়ের ভাষ্য, সরকার বিষয়টিকে মর্যাদার প্রশ্ন হিসেবে দেখছে না। বরং আলোচনার মাধ্যমে ধাপে ধাপে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছাতে চায়। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সরকারের চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবেই এই সংলাপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এদিকে, দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেন, পুলিশ তাদের জানিয়েছে যে জেপি নাড্ডা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তার বাসভবনে বৈঠক করতে আগ্রহী।

তবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে সৌরভ দাস বলেন, তারা কোনো মন্ত্রীর বাসভবন বা কার্যালয়ে গিয়ে আলোচনা করবেন না। তার মতে, জনগণের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনা হলে মন্ত্রীদেরই আন্দোলনস্থলে এসে কথা বলা উচিত। তাই যন্তর মন্তরেই বৈঠক আয়োজনের দাবি জানান তিনি।

সৌরভ দাস আরও বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে বিক্ষোভস্থলের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানেও আলোচনায় বসতে তাদের আপত্তি নেই।

তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা শুরু থেকেই আলোচনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সংলাপের মাধ্যমে সংকটের সমাধান সম্ভব হলে সেটিই সবার জন্য সবচেয়ে ইতিবাচক পথ হবে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন