নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।

সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দি আহমদ। একই সঙ্গে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর জাতীয় সংসদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র তিনি গ্রহণ করেছেন। স্পিকার হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ই প্রয়োজনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের শপথও তিনি নিয়েছিলেন। একইভাবে ডেপুটি স্পিকারের শপথে উল্লেখ রয়েছে, স্পিকারের পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালন করতে না পারলে ডেপুটি স্পিকার সেই দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, দুপুরে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হন। রাষ্ট্রপতি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন। পাশাপাশি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেও মো. সাহাবুদ্দিন বর্তমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রতি সব সময় সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছেন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে চিকিৎসা সনদের প্রয়োজন ছিল কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়। পদত্যাগপত্রে রাষ্ট্রপতি নিজেই লিখিতভাবে জানিয়েছেন যে তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন এবং মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে পড়েন। তাই এ ক্ষেত্রে আলাদা কোনো চিকিৎসা সনদের প্রয়োজন নেই।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ আরও বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মাধ্যমে এ নিয়ে যে ধোঁয়াশা ছিল, তা দূর হয়েছে। এতে কোনো সাংবিধানিক সংকট বা প্রশাসনিক অস্থিরতার সুযোগ নেই।

সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ কখনো শূন্য থাকে না এবং দায়িত্ব পালনের বিকল্প ব্যবস্থা আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে। অতীতেও রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের নজির রয়েছে এবং প্রতিবারই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন