নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ন্যাশনাল আর্মির সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার ফওজি মানসুরি নিহত। আম্বেদকর সোশ্যাল ইন্টিগ্রেশন স্কিম’-এর আওতায় এ অর্থসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ডিএমপি সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ পুলিশের ৫ কর্মকর্তা চাকরি হারাচ্ছেন। মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে। অনিবন্ধিত বা ‘খেপ’ ম্যাচে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ৪৮৪ জনের মধ্যে বিভিন্ন মামলার আসামি, মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তি। কাল বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। মাহেন্দ্রক্ষণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জন। বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে।

সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছেগতকাল সোমবার দিনব্যাপী মহানগরীর আটটি ট্রাফিক বিভাগে চালানো এ অভিযানে আইন অমান্যের অভিযোগে ১ হাজার ৯০৮টি মামলা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে আইন ভঙ্গকারী ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ৬৯৬টি যানবাহন ডাম্পিং এবং ৩৬৭টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড়, ব্যস্ত এলাকা ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং চালকদের মধ্যে ট্রাফিক আইন মেনে চলার প্রবণতা বাড়াতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে মিরপুর ট্রাফিক বিভাগে। এ বিভাগে মোট ৪৫৩টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাস ৪০টি, ট্রাক ২৮টি, কাভার্ডভ্যান ৪৩টি, সিএনজি অটোরিকশা ৪৮টি এবং মোটরসাইকেল ১৮০টির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মতিঝিল ট্রাফিক বিভাগে ২৭৭টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে বাস ১১টি, ট্রাক ১টি, কাভার্ডভ্যান ১৪টি, সিএনজি অটোরিকশা ৫৮টি এবং মোটরসাইকেল ১৩৫টি।উত্তরা ট্রাফিক বিভাগে ২৩৮টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় বাস ২৮টি, ট্রাক ৯টি, কাভার্ডভ্যান ৭টি, সিএনজি অটোরিকশা ৩৬টি এবং মোটরসাইকেল ৮৭টির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

গুলশান ট্রাফিক বিভাগে মোট ২১৯টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে বাস ৩৪টি, ট্রাক ২টি, কাভার্ডভ্যান ৮টি, সিএনজি অটোরিকশা ৩১টি এবং মোটরসাইকেল ৭০টি।ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগে ২১৬টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাস ৩৭টি, ট্রাক ২৯টি, কাভার্ডভ্যান ১৫টি, সিএনজি অটোরিকশা ২৭টি এবং মোটরসাইকেল ৫৪টির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তেজগাঁও ট্রাফিক বিভাগে ১৯২টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাস ২৪টি, ট্রাক ৪টি, কাভার্ডভ্যান ৮টি, সিএনজি অটোরিকশা ৩৬টি এবং মোটরসাইকেল ৭৫টি।লালবাগ ট্রাফিক বিভাগে ১৫৭টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে বাস ১২টি, ট্রাক ১৫টি, কাভার্ডভ্যান ৪টি, সিএনজি অটোরিকশা ১৩টি এবং মোটরসাইকেল ৭৪টি।

রমনা ট্রাফিক বিভাগে ১৫৬টি মামলা করা হয়। এর মধ্যে বাস ১০টি, ট্রাক ১টি, কাভার্ডভ্যান ৫টি, সিএনজি অটোরিকশা ১৪টি এবং মোটরসাইকেল ৩৭টির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সব বিভাগ মিলিয়ে অভিযানে ১৯৬টি বাস, ৮৯টি ট্রাক, ১০৪টি কাভার্ডভ্যান, ২৬৩টি সিএনজি অটোরিকশা এবং ৬৯২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে শুধু মামলা করেই কার্যক্রম শেষ করা হয়নি। গুরুতর আইন লঙ্ঘন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ বা অনুপযুক্ত যানবাহন চলাচল এবং অবৈধভাবে পার্কিংয়ের বিরুদ্ধেও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে ৬৯৬টি যানবাহন ডাম্পিং করা হয়। একই সঙ্গে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে ৩৬৭টি যানবাহন রেকার করা হয়েছে।

অভিযানে সবচেয়ে বেশি আইন লঙ্ঘনের ঘটনা পাওয়া গেছে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে। মোট ৬৯২টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব যানবাহনের চালকদের মধ্যে হেলমেট না পরা, উল্টো পথে চলাচল, ট্রাফিক সংকেত অমান্য করা এবং নির্ধারিত নিয়ম না মেনে চলার মতো অপরাধের প্রবণতা দেখা গেছে।

এ ছাড়া বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত হয়েছে। মাঝরাস্তায় যাত্রী ওঠানামা করানো, প্রতিযোগিতা করে গাড়ি চালানো এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বা অনুমোদনসংক্রান্ত অনিয়মের কারণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিএনজি অটোরিকশার ক্ষেত্রেও সড়কের মাঝখানে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানো এবং ট্রাফিক সংকেত অমান্য করার মতো ঘটনা পাওয়া গেছে।

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি আইন ভঙ্গকারী যানবাহনের বিরুদ্ধে নিয়মিত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্মকর্তারা বলেন, রাজধানীকে যানজটমুক্ত ও বাসযোগ্য রাখতে শুধু পুলিশের অভিযান যথেষ্ট নয়; চালক, পরিবহন মালিক, যাত্রী ও পথচারী,সবার দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন। ট্রাফিক আইন মেনে চলার অভ্যাস গড়ে উঠলে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর পাশাপাশি দুর্ঘটনা ও যানজটও অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে।

amardesh24.com

 

আরও পড়ুন