নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ন্যাশনাল আর্মির সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার ফওজি মানসুরি নিহত। আম্বেদকর সোশ্যাল ইন্টিগ্রেশন স্কিম’-এর আওতায় এ অর্থসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ডিএমপি সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ পুলিশের ৫ কর্মকর্তা চাকরি হারাচ্ছেন। মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে। অনিবন্ধিত বা ‘খেপ’ ম্যাচে অংশ নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ৪৮৪ জনের মধ্যে বিভিন্ন মামলার আসামি, মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত ব্যক্তি। কাল বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। মাহেন্দ্রক্ষণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। মণিপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে কৃতিত্বের সাথে গোল্ডেন এ-প্লাস অর্জন। বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে ৬ মাসের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

ন্যাশনাল আর্মির সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার ফওজি মানসুরি নিহত।

লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার ফওজি মানসুরি নিহ হয়েছেন।এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় বেনগাজির হাওয়ারি এলাকায় নিজের বাড়ির বাইরে গাড়িতে ওঠার সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা বাহিনীর দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মানসুরির গাড়িতে একটি বিস্ফোরক ডিভাইস রাখা হয়েছিল। সেটি বিস্ফোরিত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিস্ফোরকটি কী ধরনের ছিল, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। একই সঙ্গে হামলার সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

সামরিক গোয়েন্দাপ্রধানকে লক্ষ্য করে এ হামলার ঘটনা লিবিয়ার দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সংকটকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। ২০২০ সালে যুদ্ধবিরতির পর দেশটিতে বড় ধরনের সশস্ত্র সংঘাত অনেকটাই কমে এলেও রাজনৈতিক বিভাজন এখনো রয়ে গেছে। বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রশাসন ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব রয়েছে।

লিবিয়ার বর্তমান সংকটের সূত্রপাত ২০১১ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়। ওই বছর ন্যাটোর সমর্থনে সংঘটিত বিদ্রোহের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হন। এরপর দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সশস্ত্র সংঘাত বাড়তে থাকে।

২০১৪ সালে লিবিয়া কার্যত পূর্ব ও পশ্চিমের প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এরপর থেকেই ক্ষমতা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।

সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি পূর্ব ও দক্ষিণ লিবিয়ার বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। বাহিনীটি বেনগাজিভিত্তিক প্রশাসনের সঙ্গে জোটবদ্ধ। অন্যদিকে রাজধানী ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় ঐক্য সরকার পশ্চিম লিবিয়ার বড় একটি অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।

২০২০ সালের যুদ্ধবিরতির পর বড় ধরনের যুদ্ধ বন্ধ থাকলেও দেশটির রাজনৈতিক সংকটের স্থায়ী সমাধান হয়নি। এর মধ্যে এলএনএর সামরিক গোয়েন্দাপ্রধানকে লক্ষ্য করে বিস্ফোরণের ঘটনায় দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েcom

amardesh24.com

আরও পড়ুন