জনপ্রিয় বলিউড অভিনেতা সালমান খানের আবেদনে ‘কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ সিনেমার মুক্তি ও প্রচার বন্ধের বিষয়টি নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। মামলাটি শুনতে দিল্লি হাইকোর্টের এখতিয়ার রয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন তুলে আবেদন করেছেন সিনেমাটির প্রযোজক অমিত জানি। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সালমান খানের বক্তব্য জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল শুক্রবার বিচারপতি তেজস কারিয়ার বেঞ্চ এ নোটিশ জারি করেন। আগামী ১৬ ডিসেম্বর মামলাটির পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রযোজক অমিত জানির দাবি, সিনেমাটির মুক্তি বন্ধের আবেদন শুনে সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার দিল্লি হাইকোর্টের নেই। এ কারণে সালমান খানের করা মামলাটি খারিজ করা উচিত। তাঁর আইনজীবী আদালতে যুক্তি দেন, সালমান মুম্বাইয়ে বসবাস করেন এবং অমিত জানির বাস উত্তর প্রদেশের মিরাটে। তাঁদের কেউই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এলাকার বাসিন্দা নন কিংবা সেখানে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করেন না।
আইনজীবীর মতে, সিনেমাটির টিজার, পোস্টার ও প্রচারসামগ্রী দিল্লিসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি একাই দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এখতিয়ার প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়।
এর আগে ‘কালা হিরাণ: ব্যাটল ফর লিগ্যাসি’ সিনেমার মুক্তি ও প্রচার বন্ধের আবেদন নিয়ে আদালতে যান সালমান খান। তাঁর অভিযোগ, ১৯৯৮ সালের বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা এবং তাঁর ব্যক্তিজীবনের নানা ঘটনা অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। এতে তাঁর নাম, চালচলন, বাচনভঙ্গি ও জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর আবহ অনুকরণ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সালমানের ভাষ্য, হরিণ শিকারসংক্রান্ত চারটি মামলার মধ্যে তিনটিতে তিনি খালাস পেয়েছেন। বাকি আপিলগুলো রাজস্থান হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সিনেমায় তাঁর বিচারপ্রক্রিয়া নাটকীয়ভাবে তুলে ধরা হলে তা নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার আইনি অধিকার ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন অভিনেতা।
এ ছাড়া সিনেমাটির টিজারে তাঁকে অপরাধী হিসেবে উপস্থাপনের ইঙ্গিত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সালমান। তবে প্রযোজকের আবেদনের পর মামলাটির মূল বিরোধের পাশাপাশি এখন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারিক এখতিয়ারের প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
amardesh24.com









