নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজির দামে রীতিমতো আগুন লেগেছে। চবি এক নারী শিক্ষার্থীকে চলন্ত বাসে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্তা। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আগামী সোশ্যাল ফাউন্ডেশনের করা জরিপে উঠে এসেছে। আরবিএফএ আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৯ বছর বয়সী এই ডাচ কোচের নাম ঘোষণা করেছে। প্রায় ২১ মাস আগেই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতির অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়েছেন। ব্রাজিল ভারতের মাটিতে খেলতে আসতে পারে। চেরাগী মোড় এলাকা থেকে অপহৃত এক মা ও তাঁর ছেলেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার। কনটেন্ট নিম্নমানের পোস্টের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীনকে গ্রেপ্তারে দাবী: এনসিপি। উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আদাবরে নবদম্পতিকে জিম্মি করে কুপ্রস্তাব, আটক ৩।

sharethis sharing button
রাজধানীর আদাবর এলাকায় এক নবদম্পতিকে জিম্মি করে মারধর, চাঁদা দাবি এবং স্ত্রীর প্রতি কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার  রাত ১০টায় মোহাম্মদিয়া হাউজিং সোসাইটির ১০ নম্বর রোডের ১১/১ নম্বর বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী ইকবাল  জানান, ওই বাড়িতে তিনি ও তার স্ত্রী ভাড়া থাকেন। তার পরিচিত রিপনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত সন্ত্রাসী কায়দায় তার বাসায় ঢুকে প্রথমেই তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। সন্ত্রাসীরা অভিযোগ করে, তারা বিয়ে ছাড়া একসঙ্গে থাকছেন এবং এজন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করে। দাবি না মানায় ইকবাল ও তার স্ত্রীকে আলাদা রুমে আটকে রেখে নির্যাতন চালানো হয়।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী পিংকি আক্তার আরও জানান, দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে তাকে আলাদা রুমে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে কুপ্রস্তাব দেওয়া হয় এবং হুমকি দেওয়া হয় টাকা না দিলে শারীরিকভাবে ক্ষতি করা হবে। তাকে একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে মারধরও করা হয়।
খবর পেয়ে আদাবর থানা পুলিশ রাত দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে নবদম্পতিকে উদ্ধার করে। অভিযানে তিনজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন জসীম (৩৩), জিহাদুল ইসলাম শুব (১৯), ও ফয়সাল (১৮)।
ভুক্তভোগীরা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আদাবর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম জাকারিয়া জানান, অভিযুক্ত তিনজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে এবং চাঁদাবাজ চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
ওসি জানান, নবদম্পতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং চক্রটিকে বিচারের আওতায় আনার জন্য পুলিশ সক্রিয় রয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়রা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

আরও পড়ুন