নোটিশ: বকেয়া পরিশোধ না হওয়ায় সাইটটি শীঘ্রই সাসপেন্ড হয়ে যাবে, অনুগ্রহ পূর্বক যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

সর্বশেষ
ক্ল্যাসিকোয় বার্সেলোনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফেনীতে মেয়ের বটির কোপে মায়ের মৃত্যু। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৭ জনকে ২ দিনের রিমান্ড। মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে সম্প্রতি আলোচনায় আসেন: ইশরাক। জীবনের প্রথম আমজনতার তারেক ৪ দিনের সফরে জাপানে গেলেন। পটিয়া কুসুমপুরা অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুকে মারধর- চমেক মৃত্যু। জামায়াত নিজেদের ক্ষেত্রে ন্যায় কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে নারাজ: তাসনিম। ট্রাইব্যুনালে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন আওয়ামীপন্থি ২ আইনজীবী। তেলোর দাম কমায় বিশ্ববাজারে সোনার বেড়েছে। সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ার করতে পিছ পা হবেন না: আইজিপি।

দেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক। কক্সবাজার।

শনিবার ২৬ জুলাই ২০২৫

দেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন চালু হয়েছেদেড় বছর আগে। প্রকল্পটি নেওয়ার সপক্ষে বলা হয়েছিল, এই রেলপথ চালু হলে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি সমুদ্র উপকূলবর্তী কক্সবাজার জেলার মৎস্য, বনজ ও কৃষিজ পণ্য কম খরচে সারা দেশে সরবরাহ করা যাবে। তাতে রেলওয়ের বছরে ৫০ কোটি টাকা আয় হবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সঙ্গে দুটি করে চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন কক্সবাজার আসা-যাওয়া করে। অর্থাৎ পণ্যবাহী ট্রেন চালু হয়নি। এমনকি যাত্রীবাহী ট্রেনগুলোতেও পণ্যবাহী কোনো লাগেজ ভ্যান যুক্ত করা হয়নি; যে কারণে বিপুল ব্যয়ে নির্মিত এই রেলপথ নির্মাণের সুফল মিলছে না।

ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁরা শুরু থেকেই কক্সবাজার থেকে পণ্যবাহী ট্রেন চালুর দাবি জানিয়ে আসছেন। সেটি হলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পণ্য বহনকারী গাড়ির চাপ কমবে। বর্তমানে এই সরু মহাসড়কে দিনে গড়ে পাঁচ হাজারের মতো গাড়ি চলাচল করে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। পণ্যের বড় অংশ যদি ট্রেনে পরিবহন করা হয়, তাহলে সড়কে গাড়ির চাপ কমে দুর্ঘটনার হার কমতে পারে।

এদিকে পণ্য পরিবহন ট্রেন বা কোচ সংযুক্ত করা নিয়ে রেলওয়ের প্রকৌশল ও বাণিজ্যিক বিভাগের দুই ধরনের মত রয়েছে। রেলওয়ের বাণিজ্যিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, কক্সবাজারের স্থানীয় কিংবা চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের কারও কাছ থেকেই তাঁরা এখনো এই পথে ট্রেনে পণ্য পরিবহনের কোনো চাহিদা পাননি। তবে পণ্যবাহী ট্রেন চালুর জন্য পর্যাপ্ত ইঞ্জিনও নেই। আবার রেলওয়ের প্রকৌশল বিভাগের মতে, চাহিদা না থাকার বিষয়টি সঠিক নয়। উদ্যোগ নেওয়া হলে ঠিকই সাড়া পাওয়া যাবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কক্সবাজারে পণ্য পরিবহনের বিষয়ে আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই। কেননা বর্তমানে ইঞ্জিন-সংকট প্রকট; যে কারণে নিয়মিত পণ্যবাহী ট্রেন চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আর কক্সবাজারের কারও কাছ থেকে কখনো কোনো চাহিদা বা আগ্রহ পাওয়া যায়নি। তবে এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁরা যদি চাহিদা দেন, তাহলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্পটির পরিচালক মো, সবুক্তগীনও প্রথম আলোকে বলেন, কক্সবাজার থেকে পণ্য পরিবহনে চাহিদা নেই, বিষয়টি এ রকম নয়। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পথে আন্তনগর ট্রেনে দুটি লাগেজ ভ্যান যুক্ত করার পরিকল্পনা আছে। এ নিয়ে বাণিজ্যিক বিভাগের সঙ্গে আলাপ করা হবে। রেলওয়ের নিয়মিত মাসিক সভাতেও বিষয়টি তোলা হবে। রেলওয়ের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হলে সাড়া পাওয়া যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

আরও পড়ুন